এখনকার সমাজ গণমানুষের প্রয়োজন ভুলে যায়: তৈমূর
নারায়ণগঞ্জের মাসদাইর বাজারে মুসলিম একাডেমীর আয়োজনে সমাজ কল্যাণ প্রভাতী সংসদের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য আলহাজ হারুণ অর রশিদ (বাবুল), সামছুল হকসহ এলাকার মৃত ব্যক্তিদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে মুসলিম একাডেমীর নির্বাহী পরিচালক আলহাজ মো. নূরুল ইসলাম খানের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন আলহাজ মোহাম্মদ আলী ভূঁইয়া। প্রধান অতিথি ছিলেন মুসলিম একাডেমীর চেয়ারম্যান ড. তৈমূর আলম খন্দকার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাগে জান্নাত পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি মহিউদ্দিন মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক শরিফ সুমন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য মাওলানা মাইনউদ্দিন আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস ও আলহাজ শহীদুর রহমান।
এছাড়াও মুসলিম একাডেমীর ঊর্ধ্বতন সভাপতি আলহাজ আবু সিদ্দিক ভূঁইয়া, সহসভাপতি মোস্তফা কামাল, হাজী মোহাম্মদ হোসেন শেখ, যুগ্ম নির্বাহী পরিচালক মাকছুদুল আলম খন্দকার, সহনির্বাহী পরিচালক খসরু নোমান, পরিচালক (অর্থ) আলহাজ শাহাবদ্দিন আহম্মাদ খন্দকার, পরিচালক (দপ্তর ও প্রচার) মো. আব্দুল হালিম, পরিচালক (শিক্ষা ও সংস্কৃতি) শাহ আলম ভূঁইয়া, পরিচালক (ক্রীড়া) মো. রবিউল আলম খান রবু, পরিচালক (পাঠাগার) নাজমুল কবির নাহিদ, পরিচালক (সমাজ কল্যাণ) মো. মনির হোসেন খান, পরিচালক (ধর্ম) ডা. মো. নুরুল হক, পরিচালক আলহাজ শাহাজাহান আহম্মদ প্রধান, গোলজার হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, মো. জাহাঙ্গীর আলম ও ইয়াসির সুলতানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, আমাদের সামাজিক ঐতিহ্য অনুযায়ী কেউ মৃত্যুবরণ করলে পরিবারের সদস্যদের মতো আমরা তার জন্য দোয়া মাহফিলের আয়োজন করি। একসময় এই এলাকা অনেক অপকর্মের এলাকা ছিল। আমরা তখন নৈশ বিদ্যালয় স্থাপন করেছিলাম। ওই সময়ে যারা সহযোগিতা করেছিলেন, তাদের অনেকেই এখন আর জীবিত নেই।
তিনি বলেন, ‘কখন মারা যাই, কখন আল্লাহ দুনিয়া থেকে নিয়ে যায়—জানি না। যদি কোনো ভুল করে থাকি, ক্ষমা করে দেবেন। ভুল তো অবশ্যই আছে; আমি ক্ষমা চাই, ক্ষমা করে দেবেন।’
হারুণ অর রশিদ (বাবুল) ও সামছুল হকের সমাজের জন্য অনেক অবদান রয়েছে উল্লেখ করে তিনি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় সবার কাছে দোয়া চান। একই সঙ্গে তাদের সন্তানদের জন্য এবং মুসলিম একাডেমী ভবিষ্যতেও সচল থাকার জন্য দোয়া করার আহ্বান জানান।
তৈমূর আলম খন্দকার বলেন, ‘আমাদের একটা বাহিনী ছিল, যারা মানুষ মারা যাওয়ার পর কবর খনন করত। যাদের মেয়ে বিবাহ দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না, তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করতাম। এখনকার সমাজ গণমানুষের প্রয়োজন ভুলে যায়।’
পরে মরহুমদের আত্মার মাগফিরাত এবং মুসলিম একাডেমীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।





































