অনিকের পরিকল্পনায় শুভ হত্যা, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৩
নারায়ণগঞ্জের চাষাড়ায় শুভ চন্দ্র দাস (৩০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদঘাটনের দাবি করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। হত্যার পরিকল্পনাকারী হিসেবে অনিক ও সুমনের নাম উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ৫ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার হকার্স মার্কেটের পেছনে দুর্গামলের সামনে সড়ক থেকে শুভ চন্দ্র দাসের গুলিবিদ্ধ ও চাকুর আঘাতে রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শুভ সদর থানার গলাচিপা এলাকার বাসিন্দা।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো. হাসিনুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে।
তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে তদন্ত চালিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে জানা যায়, অনিক ও সুমন শুভকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেটের বিনিময়ে শুভর সহযোগী সোহানকে দিয়ে তাকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনা হয়।
পরে অনিক ও অহিদের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল শুভকে ঘিরে ফেলে। এ সময় অনিক ও অহিদ শুভকে গুলি করেন এবং অন্য সহযোগীরা চাকু দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আমলাপাড়া মাদ্রাসাপাড়া এলাকার কালু মিয়ার ছেলে মো. সুমন ওরফে মাইগ্যা সুমন (৪৫), আমলাপাড়ার ২১ নম্বর কেবি সাহা বাইলেন এলাকার মো. দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সিয়াম আহমেদ সিজান (২১) এবং একই এলাকার মৃত সমর্চান সরদারের ছেলে মো. সোহান (২৪)।
এ ঘটনায় একটি মোটরসাইকেল ও তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে ডিবি।
ডিবি জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অনিক, অহিদসহ অন্য সহযোগীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। পাশাপাশি হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধারে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।





































