দোসররা আপনাদের পাশেই, সাবধান থাকুন: আবুল কালাম
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেছেন, ‘আপনারা জানেন, আপনাদের পাশেই দোসর আছে। যারা আপনাদের ও বিএনপিকে সহযোগিতা করেনি, তারা ঘাপটি মেরে নিজেদের ফায়দা লুটেছে। তাদের আপনারা চেনেন ও জানেন। তাদের ব্যাপারে সাবধান থাকবেন। তারা গায়ে গায়ে মিশে থাকার চেষ্টা করছে। স্বার্থ শেষ হয়ে গেলে আবার উড়াল দেবে।’
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নবীগঞ্জে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাউসার আশার নেতৃত্বে মিছিল শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল কালাম বলেন, ‘গত ১৮ বছর বিএনপির নেতাকর্মীরা বাড়িতে ঘুমাতে পারেনি। আমাদের সন্তানদের হারাতে হয়েছে, আমরা ভোটের অধিকার হারিয়েছিলাম। শুধু বুকের মধ্যে ছিল ধানের শীষ। আবার সেই ষড়যন্ত্র দেশে শুরু হয়েছে। আপনারা কি আগের সময়ে ফিরে যেতে চান? ইনশাআল্লাহ, আমাদের বুকে শহীদ জিয়ার ধানের শীষ নিয়ে রাজপথে ছিলাম, আছি এবং থাকব। বিদেশে থেকেই আমাদের তারেক রহমান যে পথ দেখিয়েছিলেন, সেই পথ ধরে আমরা নির্বাচিত হয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের শত্রুরা কিন্তু এখনো থেমে নেই। তারা আবারও ফিরে আসার পাঁয়তারা শুরু করেছে। যাদের ফিরে আসা উচিত বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর জন্য। হেলিকপ্টার থেকে শিশুদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমরা দেখেছি, আমাদের সূর্যসন্তানদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট হাসিনার ক্ষমতা রুখে দিতে সংগ্রাম হয়েছিল। আমরা ফ্যাসিস্টদের বিনা বিচারে ছাড়তে পারি না। তাদের আইনের আওতায় আসতে হবে এবং জনরায় মাথা পেতে নিতে হবে।’
বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি সংগ্রাম করতে ও রাজপথে থাকতে জানে। সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে জানে। ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে চায়, কিন্তু তারা সফল হবে না।’
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে আবুল কালাম বলেন, ‘বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। আগামীতে সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও ইউনিয়ন নির্বাচন আসছে। আপনাদের পাশেই যারা দোসর হিসেবে ঘাপটি মেরে আছে, তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।’
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শহর ও বন্দরের উন্নয়নে যেসব আশ্বাস রয়েছে, সেগুলো পাঁচ বছরে বাস্তবায়ন করা হবে। আপনারা আমাকে ২০ বছর পর পরীক্ষার মাধ্যমে ফিরিয়ে এনেছেন। শহর-বন্দরের মানুষের চাহিদা পূরণ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।’





































