নারী-শিশু আদালতে পিপি নিয়োগে বিতর্ক, কার্যালয়ে তালা
নারায়ণগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে অ্যাডভোকেট সুমন মিয়াকে নিয়োগ দেওয়ার পর থেকেই আদালতপাড়ায় বিতর্ক শুরু হয়। সুমন মিয়ার আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগকে সামনে এনে একদল আইনজীবী আদালতপাড়ায় মিছিলও করেন। এরপর থেকেই এ পিপি’র কার্যালয় তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। নতুন পিপি সুমন মিয়া তার কার্যভার এখনো গ্রহণ করতে পারেননি বলেও জানান।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিভিন্ন পদে রদ-বদল করা হয়। নারায়ণগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে তখন দায়িত্ব পান অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম মোল্লা। তিনি জাতীয়তাবাদী দলের একজন সমর্থক।
কিন্তু গত ২৫ আগস্ট আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের (জিপি-পিপি শাখা) এক আদেশে এ আদালতের পিপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় অ্যাডভোকেট সুমন মিয়াকে।
আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অ্যাডভোকেট সুমন মিয়া ঢাকায় আইনজীবী হিসেবে বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নিতেন। সম্প্রতি কৌশলে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য পদ নেন। তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকারও অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগকে সামনে এনেই তার এই নিয়োগের বিরোধীতা করছেন আইনজীবীদের একাংশ। তারা সুমন মিয়ার নিয়োগ বাতিলেও দাবি জানান।
ফলে, সুমন মিয়া নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে পাবলিক প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে তালা ঝুলছে। তার অনুপস্থিতিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পিপির দায়িত্ব পালন করছেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট আজিজুল হক হান্টু। নতুন নিয়োগ পাওয়া পিপি কবে থেকে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন, সেটিও এখনো নিশ্চিত নয়।
নিয়োগ পাওয়ার পরও কার্যালয়ে বসতে না পারা এবং হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করেছেন অ্যাডভোকেট সুমন মিয়া। তিনি বলেন, দেশ ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে আইন মন্ত্রণালয় তাকে পিপি হিসেবে যোগ্য মনে করে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি নারায়ণগঞ্জে এসে ইতিমধ্যে যোগদান করেছেন। কিন্তু বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারছেন না।
নারায়ণগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে অ্যাডভোকেট সুমন মিয়াকে নিয়োগ দেওয়ার পর থেকেই আদালতপাড়ায় বিতর্ক শুরু হয়। সুমন মিয়ার আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগকে সামনে এনে একদল আইনজীবী আদালতপাড়ায় মিছিলও করেন। এরপর থেকেই এ পিপি’র কার্যালয় তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। নতুন পিপি সুমন মিয়া তার কার্যভার এখনো গ্রহণ করতে পারেননি বলেও জানান।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিভিন্ন পদে রদ-বদল করা হয়। নারায়ণগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে তখন দায়িত্ব পান অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম মোল্লা। তিনি জাতীয়তাবাদী দলের একজন সমর্থক।
কিন্তু গত ২৫ আগস্ট আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের (জিপি-পিপি শাখা) এক আদেশে এ আদালতের পিপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় অ্যাডভোকেট সুমন মিয়াকে।
আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অ্যাডভোকেট সুমন মিয়া ঢাকায় আইনজীবী হিসেবে বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নিতেন। সম্প্রতি কৌশলে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য পদ নেন। তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকারও অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগকে সামনে এনেই তার এই নিয়োগের বিরোধীতা করছেন আইনজীবীদের একাংশ। তারা সুমন মিয়ার নিয়োগ বাতিলেও দাবি জানান।
ফলে, সুমন মিয়া নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে পাবলিক প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে তালা ঝুলছে। এমনকি, পিপির নামের সাইনবোর্ডে এখনো সাবেক পিপি খোরশেদ আলম মোল্লার নাম রয়েছে। তার অনুপস্থিতিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পিপির দায়িত্ব পালন করছেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট আজিজুল হক হান্টু। নতুন নিয়োগ পাওয়া পিপি কবে থেকে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতে পারবেন, সেটিও এখনো নিশ্চিত নয়।
নিয়োগ পাওয়ার পরও কার্যালয়ে বসতে না পারা এবং হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করেছেন অ্যাডভোকেট সুমন মিয়া। তিনি বলেন, দেশ ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে আইন মন্ত্রণালয় তাকে পিপি হিসেবে যোগ্য মনে করে নিয়োগ দিয়েছে। তিনি নারায়ণগঞ্জে এসে ইতিমধ্যে যোগদান করেছেন। কিন্তু বিচারিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারছেন না।
‘এখন কিছুসংখ্যক লোক আমার বিষয়টি মেনে নিতে পারছে না। তারা আমাকে বিভিন্নভাবে ভয় দেখাচ্ছে, হুমকি দিচ্ছে। আমাকে অফিস করতে দেবে না এ ধরনের কথা বলছে। কোর্ট প্রঙ্গণেও ঢুকতে দিচ্ছে না।’
এ বিষয়ে সুমন মিয়া প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
তবে, এ বিষয়ে এ আদালতের সদ্য সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম মোল্লার মুঠোফোনের নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তাতে সাড়া দেননি।
তবে, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচএম আনোয়ার প্রধান বলেন, ‘আমরা পিপি সাহেবকে বলেছি, আমাদের এই কোর্টে একজন দরকার। তিনি আপাতত একজনকে দিয়ে কোর্ট চালানোর ব্যবস্থা করেছেন। উনি (সুমন মিয়া) রাষ্ট্রের নিয়োগপ্রাপ্ত। রাষ্ট্র তাকে বসাবে। এ ব্যাপারে বাইরে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই। কে পিপি, এপিপি হবেন, সেটা আইনজীবী সমিতির বিষয় নয়।’
অ্যাডভোকেট আনোয়ার আরো বলেন, ‘সে আমাদের মেম্বার না। সে ঢাকা বারের মেম্বার ছিল। নারায়ণগঞ্জে প্র্যাকটিস করার জন্য তাকে দেওয়া হয়েছিল।’
সুমন মিয়া দায়িত্ব পালন করতে না পারায় বর্তমানে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আজিজুল হক হান্টু পিপির দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন নিয়োগ পাওয়া পিপি কবে থেকে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করবেন, তা এখনো নিশ্চিত নয়।




































