১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ২০:৪৩, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘শুভকে হত্যার আগে হোসিয়ারি সমিতিতে হয় পরিকল্পনা’

‘শুভকে হত্যার আগে হোসিয়ারি সমিতিতে হয় পরিকল্পনা’

নারায়ণগঞ্জ শহরে শুভ চন্দ্র দাস ওরফে মো. বিল্লাল (৩০) হত্যার পরিকল্পনা করা হয় মিশনপাড়ায় হোসিয়ারী সমিতির কমিউনিটি সেন্টারের অফিসে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজন আসামিদের দেওয়া তথ্যে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

এর আগে শুভকে হত্যার সময় অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও হোসিয়ারি সমিতির এ কমিউনিটি সেন্টারের প্রাঙ্গণ থেকে জব্দ করে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তলটিও অদূরে রামকৃষ্ণ মিশনের সামনে সড়কের এক কোনা থেকে উদ্ধার করা হয়।

গত ৫ সেপ্টেম্বর রাত একটার দিকে চাষাঢ়ায় হকার্স মার্কেটের পেছনের গলিতে গুলি করে হত্যা করা হয় শুভ চন্দ্র দাসকে। এ হত্যার ঘটনায় নিহতের বাবা হরি চন্দ্র দাস সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত করছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। মামলার তদন্তে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা হোসিয়রি সমিতির ওই কমিউনিটি সেন্টারে নিয়মিত যাতায়াত করতেন বলে উঠে আসে। এমনকি স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি নেতার শেল্টারে আসামিরা মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ ওঠে।

ডিবি পুলিশ সূত্র জানায়, শুভ নিজেও একজন মাদক বিক্রেতা ছিলেন। মাদকের বিক্রি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরেই তাকে খুন করা হয়।

এদিকে, এই হত্যা মামলার আসামি সাকিব সরকার দিমুন ওরফে ধিমন (২৩) বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নরসিংদীর শিলমান্দী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন। ধিমন ফতুল্লা হাজীগঞ্জ এলাকার নাদির সরকারের ছেলে।

এর আগে আরো তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। তাদের মধ্যে দু’জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেয়।

মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) মফিজুল ইসলাম বলেন, অপর আসামি সুমনকে ৫ দিনের রিমাণ্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়। আসামিদের তথ্য ও ঘটনাস্থলের আশেপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে ধীমনকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ধীমনকে জিজ্ঞাসাবাদে সে শুভকে হত্যার পরিকল্পনা হোসিয়ারি সমিতির কমিউনিটি সেন্টারে করা হয় বলে ডিবির কাছে তথ্য দেয়। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কে কীভাবে জড়িত সেই তথ্যও জানায়।


 

সর্বশেষ

জনপ্রিয়