০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ২০:৪০, ৩১ আগস্ট ২০২৬

কদম রসূল সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি

কদম রসূল সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি

নারায়ণগঞ্জ ও বন্দরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্নের ‘কদম রসূল সেতু’ নির্মাণকাজের গতি ত্বরান্বিত করতে এবং সেতুর জন্য নির্ধারিত রেলওয়ের জমি হস্তান্তরসহ অবৈধ স্থাপনা দ্রুত উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জ নাগরিক অধিকার ফোরাম।

সোমবার (৩১ আগস্ট) নগর ভবনে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের কাছে স্মারকলিপি দেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, ৭৩৫ কোটি ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ৩৮৫ মিটার দীর্ঘ ক্যাবল-স্টেড সেতুটি নির্মিত হলে নারায়ণগঞ্জ শহর ও বন্দর এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে। প্রকল্পের মোট ২৩৭টি পাইলের মধ্যে ইতোমধ্যে ১৪৬টির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে বন্দর অংশে নির্ধারিত ১০৭টি পাইলের কাজও শেষ হয়েছে।

তবে নগরের পশ্চিম পাড়ে লুপ ও ল্যান্ডিং পয়েন্টের জন্য নির্ধারিত রেলওয়ের জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনার কারণে নির্মাণকাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়। দ্রুত এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করে সেতু কর্তৃপক্ষকে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপি গ্রহণ করে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে চিহ্নিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

সংগঠনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান মাসুম বলেন, রেলওয়ে ও সিটি করপোরেশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) হলেও জমি হস্তান্তরে বিলম্ব দুঃখজনক। নির্ধারিত সময়ের আগেই সেতুর কাজ শেষ করতে নারায়ণগঞ্জবাসী সিটি করপোরেশনের পাশে থাকবে।

সংগঠনের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান ইসমাইল বলেন, নারায়ণগঞ্জ ও বন্দরকে যুক্ত করার স্বপ্ন এখন পাইল নির্মাণের মাধ্যমে দৃশ্যমান হয়েছে। কিন্তু পশ্চিম পাড়ের রেলওয়ের জমিতে থাকা অবৈধ স্থাপনা উন্নয়নকাজে বাধা সৃষ্টি করছে। উন্নয়ন প্রকল্পের স্বার্থে এসব বাধা দ্রুত দূর করার দাবি জানান তিনি।

এ সময় বন্দর উন্নয়ন ফোরামের আহ্বায়ক হাফেজ মোহাম্মদ কবির হোসেন, আব্দুল লতিফ রানাসহ বিভিন্ন স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়