আলেমরা মাঠে নামলে জামায়াতের অস্তিত্ব থাকবে না: ফেরদাউসুর রহমান
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান বলেছেন, ‘তোমরা যদি হক্কানি আলেমদের বিরোধিতা করো, তাহলে আলেম-ওলামারা মাঠে নামলে জামায়াতে ইসলামীর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না।’
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলের আগে তিনি এসব কথা বলেন।
ফ্যাসিবাদের বিচার কার্যকর, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধ এবং গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সহনীয় মূল্য নির্ধারণের দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
বাদ আসর নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে চাষাঢ়া বাগে জান্নাত মসজিদের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান বলেন, ‘আজ গোটা বাংলাদেশের মানুষ স্বস্তি চায়, শান্তিতে থাকতে চায়। আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সরকার গঠন করেছি। আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট, যে দলই করুক না কেন, চাঁদাবাজ ও নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান থাকবে। যারা বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে, তাদের বিরুদ্ধেও আমাদের প্রতিবাদ থাকবে।’
জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘একটি কুচক্রী মহল, যাদের গুপ্ত বলা হয়, তারা ইতোমধ্যে বাংলাদেশে পরিচিতি লাভ করেছে। বায়তুল মোকাররমের খতিব, জননন্দিত আলেম মাওলানা আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই প্রবীণ আলেমের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরিষ্কার ভাষায় বলতে চাই, তোমরা যদি হক্কানি আলেমদের বিরোধিতা করো, তাহলে আলেম-ওলামারা মাঠে নামলে জামায়াতে ইসলামীর অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না।’
মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান বলেন, ‘তোমরা মনে করেছ, আবদুল মালেক সাহেব একজন নীরব মানুষ। তিনি সরাসরি রাজনীতি করেন না, ধাক্কা দিলে পড়ে যাবেন। তাহলে বোকার স্বর্গে বাস করছ। আবদুল মালেক সাহেবের অবস্থান এ দেশের জনগণের হৃদয়ে।’
তিনি অভিযোগ করেন, একটি গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ড ইতোমধ্যে জনগণের সামনে প্রকাশ পেয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
তিনি বলেন, ‘এগুলো যদি তাদের ইসলাম হয়, তাহলে এটি ভণ্ড ইসলাম। এই ইসলামকে আমরা সমর্থন করি না।’
মাওলানা কামাল উদ্দিন দায়েমীর সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুফতি মুনির হোসাইন কাসেমী।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মাসরুল আহমাদ ভূঁইয়া, মাওলানা তাজুল ইসলাম আব্বাস, মাওলানা আবদুর রশিদ, মাওলানা তৈয়বুর হোসাইন ও মাওলানা সালাউদ্দিন আজাদীসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।





































