রেড ক্রিসেন্ট নির্বাচনে নেতাদের ভিড়ে ব্যতিক্রম সাংবাদিক সজীব
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নারায়ণগঞ্জ ইউনিটের নির্বাচনে বিএনপি ও এনসিপির নেতাসহ বিভিন্ন পেশার প্রার্থীদের সঙ্গে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান সজীব। আগামী ৩১ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে সাতটি পদের বিপরীতে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া ১৭ জনের মধ্যে ১৬ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) যাচাই-বাছাইয়ে ত্রুটি থাকায় সদস্য পদের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। দুপুর ২টায় ইউনিট কার্যালয়ে নির্বাচন কমিটির সচিব মাহমুদা মুন্সী স্বাক্ষরিত বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়।
তালিকা অনুযায়ী, ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুজন, সেক্রেটারি পদে তিনজন এবং পাঁচটি সদস্য পদের বিপরীতে ১১ জনের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। সদস্য পদে বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মেহেদী হাসান সজীব। নবী–টিপুর সাত সদস্যের প্যানেলের বাইরে থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন তিনি।
নির্বাচনে অ্যাডভোকেট নবী হোসেন ও মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুর নেতৃত্বে একটি প্যানেল গঠন করা হয়েছে। এ প্যানেলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর নবী হোসেন এবং সেক্রেটারি পদে রয়েছেন টিপু।
প্যানেলের পাঁচ সদস্য প্রার্থী হলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন ও ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও মহানগর বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবির, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী এবং সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর ও মহানগর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ।
প্যানেলের বাইরে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বৈধ প্রার্থী হয়েছেন ব্যবসায়ী জি এম হায়দার আলী বাবুল। সেক্রেটারি পদে টিপুর পাশাপাশি রয়েছেন মো. রেজাউল করিম খান ও বিএনপি নেতা মো. আমিনুর ইসলাম মিঠু।
সদস্য পদে প্যানেলের বাইরে সাংবাদিক মেহেদী হাসান সজীবের সঙ্গে রয়েছেন ইফতেখার উদ্দিন আহম্মেদ জিমু, জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক নীরব রায়হান, সদর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাজমুল হক, মো. হারুনুর রশিদ খান এবং প্রফেসর ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম।
প্রার্থীদের পাশাপাশি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একাধিক সদস্যের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাও আলোচনায় রয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মো. মামুন মাহমুদ।
কমিশনের অন্য সদস্যরা হলেন তাঁর স্ত্রী অধ্যাপক বদরুননাহার, বিএনপির সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালামের মেয়ে সামছুন নুর বাঁধন, ব্যবসায়ী নেতা মো. সোহেল আক্তার সোহান এবং জেলা বিএনপির সদস্য নজরুল ইসলাম বাবুল।
নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার রোধ এবং সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন প্রার্থীরা। আগামী ৩১ অক্টোবর ভোটের মাধ্যমে ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের জন্য একজন ভাইস চেয়ারম্যান, একজন সেক্রেটারি ও পাঁচজন সদস্য নির্বাচিত হবেন।





































