সোনারগাঁয়ে মহাসড়কে ডাকাতি দেখে গাড়ি ঘুরিয়ে বাঁচলেন ‘শিশু বক্তা’ মাদানী
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এশিয়ান হাইওয়েতে (ঢাকা বাইপাস) ডাকাতের কবলে পড়ার কথা জানিয়েছেন আলোচিত ইসলামিক বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী। তবে, তিনি ডাকাতদের মুখোমুখি হওয়ার আগেই তাকে বহন করা গাড়িটি ঘুরিয়ে চলে যায়।
রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার পাকুন্ডা এলাকায় এশিয়ান হাইওয়ে সড়কে এ ঘটনা ঘটে। ওয়াজ মাহফিল শেষে বাড়ি ফেরার পথে এ পরিস্থিতির মুখে পড়েন বলে ফেসবুক লাইভে জানান রফিকুল ইসলাম মাদানী।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক বলছেন, সড়কে পাথর ফেলে ডাকাতির চেষ্টা করা হচ্ছিল। মহাসড়কে টহলে থাকা পুলিশও বিষয়টি আচ করতে পেরে সেখানে যায়।
রফিকুল ইসলাম মাদানীও গাড়ি ঘুরিয়ে নিরাপদে চলে যান বলেও জানান ওসি বারিক।
এদিকে, ফেসবুক লাইভে রফিকুল বলেন, সড়কে বড় বড় পাথর ফেলে গাড়ির গতিরোধ করে ডাকাতি করা হচ্ছিল। ডাকাতদের হাতে রাম দা ছিল। তাঁর গাড়ি কিছুটা দূরে থাকায় চালক গাড়ি ঘুরিয়ে চলে যান। এতে তাঁরা রক্ষা পান।
মাদানী আরও দাবি করেন, ডাকাতেরা অন্য একটি গাড়ির চালকের কাছ থেকে টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় নিজের গাড়ি থেকে ফেসবুক লাইভে এসে উদ্ধারের আকুতিও জানান তিনি।
রফিকুল ইসলাম মাদানী একজন ইসলামী বক্তা। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় এবং সেখানে ‘শিশু বক্তা’ বলে বেশি পরিচিত। ২০২১ সালে রাষ্ট্রবিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল।
ডাকাতের কবলে পড়ার কথা জানিয়ে ফেসবুকে করা মাদানীর ভিডিও ইতোমধ্যে ভাইরাল হয়েছে।
এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, রাতে পুলিশের দুটি টহল দল দায়িত্ব পালন করছিল। ডাকাতির চেষ্টার বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যায়। তবে সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি।
ওসি বলেন, “রাস্তায় পাথর ফেলে ডাকাতির চেষ্টা করা হয়েছিল। ইসলামিক বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী ডাকাতের কবলে পড়েননি। তাঁর কোনো কিছু খোয়া যায়নি। রাস্তায় পাথর ফেলে রাখা দেখে তিনি গাড়ি ঘুরিয়ে নিরাপদে চলে যান।”
তিনি আরও বলেন, মহাসড়কে ডাকাতি প্রতিরোধে পুলিশ দিন-রাত টহল দিচ্ছে। গত রাতের ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় রফিকুল ইসলাম মাদানী এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দেননি। তিনি লিখিত অভিযোগ দিলে সে অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





































