২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ:

প্রকাশিত: ১৭:৪১, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আপডেট: ১৮:৪৮, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

‘ভালো সেন্ট্রাল’ পরিদর্শনে সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিন ও এমপি আল আমিন

‘ভালো সেন্ট্রাল’ পরিদর্শনে সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিন ও এমপি আল আমিন

নারায়ণগঞ্জে ‘ভালো সেন্ট্রাল বাংলাদেশের’ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বাংলা দৈনিক ‘ঠিকানা’র সিইও সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিন।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের নিমতলায় ভালো সেন্ট্রাল ও ইফতার বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তারা। পরে এনজিওটির রমজান মাসব্যাপী ইফতার বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নিয়ে দুস্থদের মাঝে খাবার তুলে দেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ভালো সেন্ট্রাল বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট তাইজুল ইসলাম রাজিব, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন মোবাইল টেলিকম কোম্পানি রিভারটেল ও ঠিকানার প্রধান উপদেষ্টা রুহিন হোসাইন, ভালো সেন্ট্রাল বাংলাদেশের ম্যানেজার মুকলেসুর রহমান ভুট্টু, এনসিপি দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক শওকত আলী প্রমুখ।

সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিন বলেন, নিউইয়র্কে একটি বাংলাদেশি এনজিও কতটা কাজ করতে পারে, তা আমি দেখেছি। এবারের যাত্রায় আমি দেখেছি, ভালো সেন্ট্রাল শিশুদের স্কুলে যাওয়া, মানুষের কাজকর্মে অভাব, খাবার থেকে শুরু করে নিউইয়র্কে অনেক কাজ করে। সেভাবেই ভালো ফাউন্ডেশনের সঙ্গে আমার পরিচয়। আজ আমি দেখতে আসছি, ভালো সেন্ট্রাল বাংলাদেশেও বন্যার সময় কাজ করেছে, সঙ্গে আমাদের ঠিকানা ছিল। এখন রমজান মাসে ভালো সেন্ট্রাল প্রতিদিন ইফতার বিতরণ করছে এবং অনেকের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে কাজটি করছে। তারা এখানকার স্যানিটেশন, হেলথ ও হাইজিন- এই দুটি ক্ষেত্রে এই অঞ্চলের মানুষ যেন সুবিধা পান, সে ব্যবস্থাও করেছে। বরিশালেও তারা এই শাখা উদ্বোধনের চেষ্টা করছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে ভালোর সঙ্গে আছি। ভালোর এসব কাজ আমাকে খুবই উদ্বুদ্ধ করে। বিশেষ করে যখন দেখি নিউইয়র্কের রাস্তায় কেউ একজন বাংলাদেশি এনজিও থেকে সাহায্য পেয়ে খুশি হয়ে যাচ্ছে- তখন আমার অনেক গর্ব হয়।

প্রেসিডেন্ট তাইজুল ইসলাম রাজিব বলেন, “আমাদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার রহমানের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ। তাঁর উদ্যোগে এবং প্রবাসী বাঙালি কমিউনিটির সহযোগিতায় আমাদের ভালো সেন্ট্রাল গড়ে ওঠে এবং ভালো সেন্ট্রাল বাংলাদেশে কাজ করছে। আমরা মানুষের চিকিৎসা, নারীদের গর্ভকালীন চিকিৎসা ও শিশুদের চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহের চেষ্টা করি। স্থানীয় গরিব মানুষ ও দিনমজুরদের জন্য বিশুদ্ধ পানি, স্বাস্থ্যসম্মত সেলুন ও টয়লেটের ব্যবস্থা করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রতি সপ্তাহে তিন দিন করে আমাদের ফুড সার্ভিস দিচ্ছি। আমাদের কাছে কেউ সহযোগিতা চাইলে আমরা সহযোগিতা করি। কারও শারীরিক সমস্যা বা কারও ঘর ভেঙে গেলে- এ ধরনের বিষয়গুলো দেখে বুঝে তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করি। বিগত তিন বছর ধরে প্রতি রমজান মাসে ১ থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত প্রতিদিন ১ হাজার ২০০ লোকের ইফতারি বিতরণ করছি। আমাদের এই উদ্যোগ পরিদর্শন করতেই খালেদ ভাই এখানে এসেছিলেন। ঠিকানা ফাউন্ডেশনের সঙ্গে আমরা এর আগেও মিলে সিলেট ও নোয়াখালীতে বন্যার্তদের জন্য কাজ করেছি। ভবিষ্যতে কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।”

সর্বশেষ

জনপ্রিয়