১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ:

প্রকাশিত: ২৩:১২, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলার অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের পক্ষে কাজ করায় তার কর্মী-সমর্থকের উপর হামলা ও বাড়িঘরে ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত বন্দরের একরামপুর, নূরবাগ ও মুছাপুর ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় এ হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছেলে মাহমুদুল হাসান শুভ।

তিনি বলেন, আসনটিতে বিজয়ী ধানের শীষের প্রার্থী আবুল কালামের কর্মী-সমর্থকরা এ হামলা চালান।

“শুক্রবার দুপুরে বন্দরের একরামপুর এলাকায় ইস্পাহানি বাজার এলাকায় শামীম নামে আমাদের কর্মীকে কুপিয়ে জখম করে। তার বাড়িঘরেও হামলা করেছে। একই এলাকার আনোয়ারকে মারধর করে তারা। সেখানে একটি রিকশার গ্যারেজেও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। পাশের নুরবাগ এলাকাতেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।”

এছাড়া, মুছাপুর ইউনিয়নেরও কয়েকটি জায়গায় তাদের কর্মী-সমর্থকদের মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

হামলার বিষয়ে মুঠোফোনে কথা হলে ভুক্তভোগী শামীম বলেন, তিনি এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে চান না। তিনি নিরাপত্তাহীনতায় আছেন।

যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আবুল কালামের ছেলে মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক সিটি কাউন্সিলর আবুল কাউসার আশা বলেন, “এগুলো সব মিথ্যা অভিযোগ। ধানের শীষের কোনো কর্মী-সমর্থক এসব ঘটনায় জড়িত না।”

“আমরা সকল ভিন্নমতের প্রতি সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করছি। নিজে কেন্দ্রে কেন্দ্রে ঘুরেছি, কোনো বিশৃঙ্খলা যাতে না হয়। তাছাড়া ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র ওই প্রার্থী আমাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীও ছিলেন না। সুতরাং এইসব মিথ্যা অভিযোগ তুলে ইস্যু বানানোর চেষ্টা করছে।”

যোগাযোগ করা হলে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, “একরামপুরের ঘটনাটিতে পুলিশ গিয়েছিল। সেখানে গিয়ে আমরা বিষয়টিকে পারিবারিক দ্বন্দ্ব হিসেবে পেয়েছি। তারপরও আমার থানাতে অভিযোগ করতে বলেছি। অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মুছাপুর এবং আরও কয়েকটি স্থানে হামলার ঘটনার বিষয়ে ওসি বলেন, “আমরা বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছি। এখন পর্যন্ত রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের বিষয় পাইনি। তারপরও পুলিশ বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছে।”

এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক রায়হান কবির বলেন, “আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা এখনো দায়িত্বে আছেন। কিন্তু আমি তাদের মাধ্যমে এমন কোনো অভিযোগ পাইনি। এমনটা হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সর্বশেষ

জনপ্রিয়