মাদক চক্রের বিয়ার ফেলে পলায়ন, পাল্টাপাল্টি অবস্থানে উত্তেজনা
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে মাদকের চোরাচালান আটকে দেওয়াকে কেন্দ্র করে মারধরের ঘটনায় একজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশনন্দী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকায় রাতের পর দিনের বেলাতেও দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনাও বিরাজ করছে।
এ ঘটনায় আহত ব্যক্তির নাম মো. রহমান (৫০)। স্থানীয় বাসিন্দা লোকমানের ছেলে রহমান আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছেন।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় বিপুল পরিমাণ মাদক নিয়ে ঢোকে একটি মাদক কারবারি চক্র। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় বিএনপি নেতা আল আমিন গ্রামবাসী কয়েকজনকে নিয়ে ওই রিকশা আটক করেন। কিন্তু এক পর্যায়ে মাদক কারবারি চক্র সেখান থেকে পালিয়ে যায়। যাবার সময় চার বস্তা বিয়ার ফেলে যায় তারা। পরে পুলিশ ডেকে সেগুলো তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত মাদক কারবারিদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা গনি, আল আমিন, রমজান, ওবায়দুল্লাহ ও ইয়ামিন এবং অটোরিকশাচালক সজীব ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় গ্রামবাসী।
এদিকে, অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার পর মাদক কারবারিরা বিএনপি নেতা আল আমিনকে হুমকি দিচ্ছেন। ফলে এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। ঘটনাটি কেন্দ্র করে স্থানীয় দুই গোষ্ঠী পাল্টাপাল্টি অবস্থান নেয়।
স্থানীয়রা জানান, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই গ্রামের সাবুর গোষ্ঠী ও চৌহরা গোষ্ঠী পরস্পরের মুখোমুখি অবস্থান নেয়। সাবুর গোষ্ঠী মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে চৌহরা গোষ্ঠীর লোকজন মাদক কারবারিদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে চৌহরা গোষ্ঠীর লোকজন রহমানকে মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। লোকমানের ছেলে রহমান গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত দুই গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
এ বিষয়ে আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন বলেন, “মাদক উদ্ধারের ঘটনায় আসামিদের পলাতক দেখিয়ে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। আর মারামারির ঘটনায় অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”





































