আওয়ামী লীগের সভাপতি-সেক্রেটারিরা ধরা পড়েনি: মাইনুদ্দিন আহমাদ
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য মাইনুদ্দিন আহমাদ বলেছেন, এ বছর ৩০ ডিসেম্বরে ভারত থেকে আসার কথা বলছে। আসার কথা বলে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। এই বিশৃঙ্খলাকে দমন করার জন্য আমাদের জেলার পুলিশ সুপার যে উদ্যোগ নিয়েছে উনাকে স্বাগত, অভিনন্দন জানাই। আমাদের পুলিশ ইতোমধ্যে অনেক লোককে ধরেছে। কিন্তু যারা ধরা পড়েছে তারা মূলত মূল ব্যক্তি না। যারা মূল ব্যক্তি এবং যারা এদের প্রশ্রয় দেয় এরা এখনো ধরার বাইরে রয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের সভাপতি, সেক্রেটারি যারা পদধারী তারা এখনো ধরা পড়েনি। তারা যাদেরকে কাজে লাগাচ্ছে তারা ধরা পড়ছে।”
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “এই লোকগুলোকে ধরা দরকার। আর এই লোকগুলোকে যারা পাঁচ তারিখের পরে লালন-পালন করছে, প্রশ্রয় দিচ্ছে। তাদেরকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব আমাদের জেলার বিভিন্ন সংস্থাগুলোর, এদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা। পরিবেশ অসুন্দর হওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই। আমি আশা করছি, এই সময়ের মধ্যে অন্তত আমাদের প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন এই কাজটা করবেন যাতে করে কোন বিশৃঙ্খল সৃষ্টি করতে না পারে। এ কঠোর একটা ব্যবস্থা নেবেন
সনাতন ধর্মালম্বিদের আশ্বস্থ করে তিনি বলেন, “আপনাদের পূজা শান্তিপূর্ণ ও হৃদ্যতাপূর্ণভাবে পালিত হবে। ইনশাল্লাহ এখানে কোন সমস্যা সৃষ্টি হবে না। আমাদের জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনহর যত প্রশাসন আছে আপনাদের সমস্যা সামনে নিয়ে পূজার জন্য যা যা করা দরকার সবকিছু সুন্দরভাবে পরিচালনা করবেন। এটা আমি আপনাকে আশ্বস্ত করতে চাচ্ছি। পাশাপাশি প্রশাসনে যারা আছেন তাদেরকে দৃষ্টিকরণ করতে চাচ্ছি, এভাবে যে এইবারের পূজাটা অন্য বছরের চাইতে কিছুটা ব্যতিক্রম আছে।”





































