১৯ জুন ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ২১:৫৭, ১৯ জুন ২০২৬

আপডেট: ২১:৫৮, ১৯ জুন ২০২৬

জামায়াত আমীরকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া নিয়ে সমালোচনা, পুলিশের ব্যাখ্যা

জামায়াত আমীরকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া নিয়ে সমালোচনা, পুলিশের ব্যাখ্যা

নারায়ণগঞ্জে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা দেখা দিয়েছে। তবে পুলিশ বলছে, প্রচলিত সরকারি বিধি অনুযায়ীই তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে নারায়ণগঞ্জের মাসদাইরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন ডা. শফিকুর রহমান।

এর আগে তিনি নারায়ণগঞ্জ সার্কিট হাউজে অবস্থান করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে পুলিশ সদস্যদের তাকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করতে দেখা যায়।

বিরোধী দলীয় এক নেতাকে দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে এসে এ ধরনের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়ার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রশ্ন ওঠে। বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের সমর্থকদের একাংশ এর সমালোচনা করেন। একইসঙ্গে তারা প্রশাসনের কাছে এ কার্যক্রমের ব্যাখ্যাও দাবি করেন।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা মুঠোফোনের নম্বরে কল রিসিভ না করায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বলেন, “স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্ধারিত আছে কে কে ‘গার্ড অব অনার’ পাবেন। বিরোধী দলীয় নেতা (মন্ত্রী পদমর্যাদার) হিসেবে ডা. শফিকুর রহমান সেই তালিকার অন্তর্ভুক্ত। সে অনুযায়ী তাকে গার্ড অব অনার ও নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির পাশাপাশি আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদধারীর ক্ষেত্রেও এ ধরনের প্রটোকল প্রযোজ্য। বিষয়টি সম্পর্কে অনেকে অবগত না থাকায় সমালোচনা করছেন।”

সার্কিট হাউজে কিছু সময় অবস্থান শেষে ডা. শফিকুর রহমান মাসদাইরের সমাবেশস্থলে যান। সেখানে বক্তব্যে তিনি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনা করে অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের দিকে এগোচ্ছে।

ঘটনাটি ঘিরে প্রশাসনিক প্রটোকল ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট দুই দিক থেকেই আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। অনেকে বলছেন, রাষ্ট্রীয় কোনো কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার বিষয় হলেও 'গার্ড অব অনার' নিয়ে প্রশ্ন উঠতো না। দলীয় কর্মসূচিতে আসা নেতাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে 'গার্ড অব অনার' প্রদান করায় সমালোচনা হচ্ছে।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়