আমি আপনাদের সেবক: কালাম
‘জনগণের দাবিতে’ বিএনপি নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে তাকে ধানের শীষের প্রার্থী করেছেন মন্তব্য করে মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেছেন, “আমি আপনাদের কাছে আগেও এসেছি, এখন আবার এসেছি। আমি আসি নাই, আমাকে আপনারা টেনে নিয়ে আসছেন। জনগণের দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্ব আমাকে আপনাদের কাছে পাঠাইছে।”
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে বন্দর উপজেলার শান্তিনগর এলাকায় বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “দল আমাকে পাঠিয়েছে এই মাটির জন্য। কারণ, আমার দ্বারাই উন্নয়ন সম্ভব বলে তারা বিশ্বাস রাখে। আর আমার জনগণ আমার কাছে বিশ্বাস রাখে বলেই আমি এই কাজগুলো করতে সক্ষম হয়েছিলাম অতীতে।”
প্রচারণামূলক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি উল্লেখ করে এ প্রার্থী বলেন, “আজকে আমি বক্তব্য রাখতে পারব না। কারণ আমি যেহেতু একজন প্রার্থী, নির্বাচনী প্রচারের ক্ষেত্রে কিছু বাধা-নিষেধ আছে। নির্বাচন প্রসঙ্গে কিংবা কোন প্রতিশ্রুতিমূলক বক্তব্য রাখার কোনো এখতিয়ার এখন নেই। তাই আপনারা আমাকে ক্ষমা করবেন। কিন্তু ২১ তারিখের পরে আবার যখন আসবো তখন আপনাদের সকল কথা শুনবো, সেই ধৈর্য আমার আছে। আমি ওয়াদা দিতে পারি যে, আমি কথা শোনার মানুষ।”
“আপনাদের মঙ্গলের জন্য কথা বলবো এবং সেই কথাটা অবশ্যই আপনারা বিগত দিনে পরীক্ষায় আমাকে দেখেছেন”, নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে যোগ করেন তিনি।
এবার ষষ্ঠবারের মতো নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হয়েছেন উল্লেখ করে আবুল কালাম বলেন, “একজন তখনই মানুষের কাছে ঠাঁই পায় যখন সে সত্যিকারভাবে ওই স্থানের উপযুক্ত হয়ে যায়। এটা আল্লাহর রহমত। আপনাদের দোয়ায় আমাকে ষষ্ঠবারের মতো আপনাদের পাশে আসার সুযোগ দিয়েছে। তিনবার আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন।”
খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণে তিনি বলেন, “উনি এমন একজন নেত্রী ছিলেন- যা বলতেন সেই কথা রক্ষা করতেন, কখনো আপোস করেন নাই। উনি এই বাংলাদেশের মাটিকে বলতেন- আমার এই দেশ, আমার মাটি আর মানুষ। তাই তিনি বিদেশে চিকিৎসা করতে যান নাই এবং উনার প্রত্যাশা ছিল যে এই বাংলাদেশের মাটিতেই উনার দাফনটা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি আপনাদের কাছে যদি সোজা বাংলায় বলি- আমি একটা কামলা আপনাদের কাছে। আমি আপনাদের সেবক, সেবা করার জন্যই আমি আপনাদের কাছে এখানে আসছি। বর্তমানে আসছি এবং ইনশাল্লাহ সামনেও থাকবো। আমাকে দিয়ে যদি আপনারা প্রত্যাশা রাখেন যে আমাকে দিয়ে কাজ করাবেন, আমি সবসময় আপনাদের পাশে থাকবো।”
তরুণদের ভোটারদের নিয়ে তিনি বলেন, “এই যে নবীন যারা আসছে, যারা বিগত দিনে ভোটার হয়েও ভোট দিতে পারেন নাই, তাদের প্রতি মুরুব্বিরা এবং নেতাকর্মীরা সচেতন থাকবেন। তাদেরকে কিন্তু বিভ্রান্ত হওয়া থেকে রক্ষা করতে হবে। এটা আপনাদের দায়িত্ব। কারণ, তারা অভ্যস্ত না, তারা জানে না। তাদের প্রথম অংশগ্রহণ হবে। তাদের ভোটাধিকার সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব।”





































