অবৈধ যানবাহন ও ফিটনেসবিহীন বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ ডিসির
নারায়ণগঞ্জে অবৈধ যানবাহন ও ফিটনেসবিহীন বাস চলাচল বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির। একই সঙ্গে নৌপথে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন তিনি।
রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব নির্দেশ দেন। সভায় নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম উপস্থিত ছিলেন।
ফিটনেসবিহীন বাসের বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, পরিবহন কোম্পানিগুলোর অনুমোদিত বাসের সংখ্যা ও বাস্তবে চলাচলকারী বাসের সংখ্যা যাচাই করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি বাসের ফিটনেস ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে আরটিসি কমিটির মাধ্যমে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
যানবাহন ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন অটোরিকশা ব্যবস্থাপনায় উদ্যোগ নিয়েছে। এবার সিএনজিচালিত অটোরিকশার বিষয়ে বিআরটিএকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
লিংক রোডের শিবু মার্কেট ও ভুঁইগড় এলাকার ডাইভারশনগুলোতে যান চলাচলের সমস্যা তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, বিশেষ করে ইউটার্ন নেওয়ার সময় চালকদের ভোগান্তি হচ্ছে। এসব স্থানে নজরদারি বাড়াতে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অনুরোধ জানান তিনি।
নৌপথে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন ও সড়ক বিভাগের আওতাধীন ঘাটগুলোর প্রকৃত ইজারাদার এবং নির্ধারিত টোলের তালিকা তৈরি করতে হবে। তালিকাটি পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সরবরাহ করতে হবে।
আসন্ন দুর্গাপূজায় বিসর্জনের সময় নির্ধারণে পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটি ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের কথা বলেন জেলা প্রশাসক। তিনি জানান, সরকার নির্ধারিত রাত আটটার মধ্যে বিসর্জন শেষ করার বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানাতে হবে। প্রয়োজনে বিভিন্ন মণ্ডপের জন্য পৃথক সময় নির্ধারণ করা হবে।
থানায় জমা থাকা রাজনৈতিক বিবেচনায় দেওয়া লাইসেন্সের অস্ত্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফেরত দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানান জেলা প্রশাসক। এ বিষয়ে আগে নেওয়া পদক্ষেপের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার কথাও বলেন তিনি।
রাইফেলস ক্লাব ভাঙার প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক জানান, সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে সংশ্লিষ্ট জায়গা বুঝে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। ওই এলাকায় সড়ক প্রশস্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য প্রায় ২৬ কোটি টাকার বাজেট তৈরির কাজ চলছে এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।





































