জনগণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিতকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে: এসপি
নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী বলেছেন, মাদক নির্মূলে পুলিশের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে এবং মাদক সহনীয় পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, পুলিশ হেডকোয়ার্টারের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার সব থানায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রতিদিন বিভিন্ন থানায় মাদকসহ আসামি গ্রেপ্তার হচ্ছে। নিয়মিত মামলা, মোবাইল কোর্ট ও সামারি ট্রায়ালের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ সুপার বলেন, শুধু সদর থানা নয়, জেলার সব থানায় মাদকবিরোধী অভিযান চলছে। ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি নিজ নিজ এলাকায় দায়িত্ব পালন করছে।
কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশের সেবা পৌঁছে দিতে মহানগর ও জেলার সব থানা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় এসব কমিটির সভাও শুরু হয়েছে। মাদক, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, ডাকাতিসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই এসব সভার অন্যতম উদ্দেশ্য।
বন্দর এলাকার আলোচিত ‘সিফাত বাহিনী’ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, সিফাতসহ তার বাহিনীকে গ্রেপ্তারে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালানো হচ্ছিল। পরে রাতে অভিযান চালিয়ে সিফাতসহ তার বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার বলেন, “যারা জনগণের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”





































