বন্দরে গাছ কাটা ও জমি দখলের হুমকির অভিযোগ বৃক্ষপ্রেমী মনি মাহমুদের
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে গাছ কেটে ফেলা, বাড়িঘর ভাঙচুর ও জমি দখলের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন বৃক্ষপ্রেমী উদ্যোক্তা মনি মাহমুদ। নিজের গাছপালা ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।
মনি মাহমুদ (৪৬) বন্দরের উত্তর নোয়াদ্ধা এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগে তিনি আওলাদ হোসেন, এনামুল হক অপু, আব্দুর রশিদ ও মান্নান সিকদারসহ অজ্ঞাত আরও চারজনের নাম উল্লেখ করেছেন।
তাঁর অভিযোগ, স্বামীর ওয়ারিশসূত্রে পাওয়া জমির সীমানা নিয়ে চাচাতো ভাশুর আওলাদ হোসেনসহ কয়েকজনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। ১৯৯৭ সালে সম্পত্তির বণ্টননামা হলেও জমির প্রায় এক ফুট অংশ নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁকে গাছপালা কেটে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
অভিযোগে বলা হয়, গত ৫ অক্টোবর স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে সালিশ বসে। সেখানে আব্দুর রশিদ তাঁর ভাশুর মো. বশিরের বুকে লাথি মারেন বলে অভিযোগ করেন মনি মাহমুদ। সালিশের সিদ্ধান্ত মেনে না নিলে বাড়িঘর ভাঙচুর করে জায়গা দখলের হুমকিও দেওয়া হয়। এর আগে তাঁর স্বামীকেও মারধর করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। ওই ঘটনার ভিডিও ফুটেজ রয়েছে বলেও জানান।
মনি মাহমুদের অভিযোগ, গত ৭ অক্টোবর সিটি করপোরেশনের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সচিবের স্বাক্ষরযুক্ত বলে উল্লেখ থাকা একটি গাছ কাটার নোটিশ দেওয়া হয়। পরে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা মো. নূর কুতুব আলম তাঁকে জানান, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সিটি করপোরেশন থেকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। এ ঘটনায় তিনি সিটি করপোরেশনেও অভিযোগ করেছেন বলে জানান।
তাঁর দাবি, অভিযুক্তরা আগামী ২৬ অক্টোবর সকাল ৯টায় বাইরে থেকে লোকজন এনে গাছপালা কাটা ও জমি দখলের হুমকি দিচ্ছেন। স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটির পক্ষ থেকেও গাছ কাটা এবং দেয়াল ভেঙে দেওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
গাছ লাগানো ও পরিচর্যার সঙ্গে যুক্ত মনি মাহমুদ নিজের গাছপালা রক্ষা এবং পরিবার নিয়ে নিরাপদে বসবাসের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ সদস্যদের ঘটনাটি তদন্ত করতে বলা হয়েছে। তদন্তের পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’





































