গণভোট ও সংসদ নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু করতে সরকার কাজ করছে: ডিসি
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেছেন, গণভোটের প্রচার-প্রচারণা ও জনসচেতনতা তৈরিতে সরকার কাজ করছে। জুলাই জাতীয় সনদ বিষয়ে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটের ব্যালটে চারটি প্রশ্ন থাকবে এবং প্রতিটি প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ সিল দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হোটেল, রেস্তোরাঁ, হাটবাজার, ফেরিঘাট, মসজিদ-মন্দিরসহ সর্বস্তরে গণভোটের প্রচারণায় অংশ নেবেন। তিনি ‘গণভোটের লোগো, গণভোট ও সংসদ নির্বাচন—দেশের চাবি আপনার হাতে’—এই বার্তা জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের স্বার্থে আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে যেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবাইকে গণভোটের প্রচার-প্রচারণায় অংশ নেওয়া এবং জনগণের মাঝে সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে জেলার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করছেন বলেও উল্লেখ করেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ, উৎসবমুখর এবং ঐতিহাসিক হবে।
সভায় জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, জেলার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাদক, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ, সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং শহরের যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় পুলিশ সর্বোচ্চ দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, বর্তমানে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক রাখতে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন।
সভায় বক্তারা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক ও ছিনতাই প্রতিরোধ, যানজট নিরসন, অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, হকার উচ্ছেদ এবং ফ্যাসিস্টের দালালদের গ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাইমা ইসলাম, র্যাবের কোম্পানি কমান্ডার আ. রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইব্রাহিম হোসেন, এনএসআই'র যুগ্ম পরিচালক দাদন মুন্সী, পিপি আবুল কালাম আজাদ জাকির, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মইনউদ্দিন আহমাদ, মহানগর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার, মহানগর ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, এনসিপি জেলার প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল আমিনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।





































