০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৭:৪৯, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ১৭:৫০, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চিপস দেওয়ার প্রলোভনে শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

চিপস দেওয়ার প্রলোভনে শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় চিপস দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সাত বছরের এক শিশুকে নির্জন স্থানে নিয়ে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে জহিরুল ইসলাম (৩৫) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

গ্রেফতার জহিরুল ইসলাম ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানার কলকান্দি এলাকার মৃত কছিমউদ্দিনের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফতুল্লার পাগলা দেলপাড়া পেয়ারা বাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিশুটির পরিবার ময়মনসিংহের তারাকান্দা এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তারা দেলপাড়া পেয়ারা বাগান এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। জহিরুলও একই বাড়ির মালিকের মালিকানাধীন পাশের একটি বাসায় ভাড়া থাকেন। সে সুবাদে তাদের সঙ্গে পূর্বপরিচয় ছিল। শিশুটি জহিরুলকে ‘আংকেল’ বলে ডাকত।

শিশুটির মা একটি ঝুট মিলে কাজ করেন এবং বাবা রিকশা চালান। ঘটনার দিন দুপুরে মা কর্মস্থলে এবং বাবা রিকশা নিয়ে বাইরে ছিলেন। এ সময় সাত বছরের শিশুসহ পরিবারের অন্য চার সন্তান বাসায় ছিল।

এজাহারে বলা হয়, বিকেল ৪টার দিকে শিশুটি বাসার গেটে দাঁড়িয়ে থাকলে জহিরুল তাকে চিপস দেওয়ার কথা বলে নিজের দোকানের দিকে ডেকে নেন। পরে দেলপাড়া পেয়ারা বাগান এলাকার একটি মিলের পাশে ওমর আলী মসজিদের পেছনে কলাগাছের ঝোপে নিয়ে গিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে যৌন নিপীড়ন করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে শিশুটি চিৎকার করলে জহিরুল তার মুখ চেপে ধরেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে জহিরুল পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

খবর পেয়ে শিশুটির মা কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরে মেয়ের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন। পরে তিনি থানায় গিয়ে মামলা করেন।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর আলম জানান, শিশুটির মা বাদী হয়ে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা করেছেন। জহিরুলকে গ্রেফতারের পর শুক্রবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়