যুবদল নেতা রিয়াদের বিরুদ্ধে মহিলা দল নেত্রীর স্বামীকে মারধরের অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ পাক্কা রোড এলাকায় একটি বাড়ি দখল করে রাখা এবং সম্ভাব্য ক্রেতাকে বাড়িটি দেখাতে গেলে মো. মাসুদ রানাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে মহানগর যুবদলের সদস্য রাফি উদ্দিন রিয়াদ ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। মাসুদ রানা মহানগর মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাহার সুলতানার স্বামী।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে নাহার সুলতানা বলেন, “আমার পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আমাদের আশঙ্কা, অভিযুক্তরা যেকোনো সময় আবারও আমাদের ওপর হামলা চালাতে পারেন। এ পরিস্থিতিতে পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, দেওভোগ পাক্কা রোড এলাকার আহসান হাবীবের মালিকানাধীন একটি বাড়ি ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে রিয়াদ ও তাঁর সহযোগীরা জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন। সেখানে বিএনপির কার্যালয় স্থাপন করে তাঁরা বসবাস করছেন বলে দাবি করেছেন মাসুদ রানা। মালিক বাড়িটি বিক্রি করতে চাইলেও দখলে থাকায় সম্ভাব্য ক্রেতাদের দেখানো নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে।
মাসুদ রানার অভিযোগ, ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে একজন সম্ভাব্য ক্রেতাকে বাড়িটি দেখাতে নিয়ে গেলে রিয়াদ ও তাঁর সঙ্গে থাকা আট থেকে দশজন তাঁর ওপর হামলা চালান। তাঁকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারা হয়। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে এবং মুখে রক্তাক্ত জখম হয়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে রক্ষা করেন।
নাহার সুলতানা অভিযোগ করেন, স্বামীকে মারধরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে তাঁকেও মারধরের উদ্দেশ্যে ধাওয়া করা হয়। এ সময় রিয়াদ ও তাঁর সহযোগীরা তাঁদের দুজনকে হত্যার হুমকি দেন বলেও দাবি করেন তিনি।
ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান নাহার সুলতানা।
অভিযোগের বিষয়ে রাফি উদ্দিন রিয়াদ দাবি করেন, একটি পক্ষের ইন্ধনে তাঁর বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তোলা হচ্ছে।





































