সিদ্ধিরগঞ্জে বিএসটিআইয়ের অভিযান, তিন প্রতিষ্ঠান সিলগালা
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অনুমোদন ছাড়া পণ্য উৎপাদন, পরিমাপে ঘাটতি এবং মোড়কে অবৈধভাবে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন ব্যবহারের অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিএসটিআইয়ের নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
সিলগালা করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি পশ্চিম পাড়ার জিহাদ ফুড প্রোডাক্ট, পশ্চিম মিজমিজি কান্দাপাড়ার আল আমিন প্লাস্টিক এবং হিমালয়া ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি।
অভিযানে জিহাদ ফুড প্রোডাক্টে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া সস উৎপাদন এবং পণ্যের লেবেলে অবৈধভাবে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া যায় বলে জানানো হয়।
আল আমিন প্লাস্টিকে ভোজ্যতেল প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতল নির্ধারিত পরিমাপের চেয়ে কম ধারণক্ষমতায় উৎপাদন করতে দেখা যায়। এ ছাড়া হিমালয়া ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিতে ফর্টিফাইড সয়াবিন তেলের বোতলে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম তেল পাওয়া যায়।
অভিযানে ১ হাজার ৮০০ মিলিলিটারের বোতলে ৭০ মিলিলিটার, ২ লিটারের বোতলে ৪০০ মিলিলিটার এবং ১ লিটারের বোতলে ২৫ মিলিলিটার তেলের ঘাটতি শনাক্ত করা হয়। পাশাপাশি পণ্য মোড়কজাতকরণের নিবন্ধন সনদ ছাড়া তেল মোড়কজাত ও বিক্রি এবং মোড়কে অবৈধভাবে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন ব্যবহারের অনিয়ম পাওয়া যায়।
অভিযান চলাকালে প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকপক্ষ বা কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত না থাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে তিনটি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়।
বিএসটিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাবেকুন নাহার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআইয়ের ফিল্ড অফিসার মো. ইয়াছির আরাফাত ও পরিদর্শক মো. হাফিজুর রহমান।
এ সময় বিএসটিআই নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপপরিচালক কে এম হানিফ, সহকারী পরিচালক মো. রাকিবুল আলম ও সহকারী পরিচালক ইবাদত মানিক উপস্থিত ছিলেন।





































