যুবদলের সজীব আটক; অন্য সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি: এমপি আল আমিনের
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশ আটকের পর জেলার আরও চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন।
রোববার (২১ জুন) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান।
এর আগে দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নিজ বাসা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সহযোগিতায় খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে বিকেল ৫টার দিকে তাকে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনা হয়। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ের দিকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানান নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী।
এদিকে এনসিপির সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, “এই এরেস্ট যদি চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের অংশ হিসেবে হয়ে থাকে তাহলে সাধুবাদ জানাই। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে যেকোনো একশনে আমাদের সর্বাত্মক সমর্থন থাকবে।” তবে শুধু একজনের বিরুদ্ধে নয়, নারায়ণগঞ্জের আরও চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, “ফতুল্লার চিহ্নিত চাঁদাবাজ, গার্মেন্টস পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্যবসায়ীদের জিম্মি করা, হত্যা মামলার আসামি নিষিদ্ধ লীগের চেয়ারম্যান, ঝুট ব্যবসা দখলের নামে মাদ্রাসার নিরীহ ১০ বছরের বাচ্চাকে গুলিবিদ্ধ করা সন্ত্রাসী, মাদকের স্পটের শেল্টারদাতাদের ব্যাপারেও একশন নিতে হবে।”
তিনি বলেন, অন্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে দুয়েকজনের বিরুদ্ধে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা দলীয় অন্তঃকোন্দল হিসেবে মনে হতে পারে। তবে তিনি ঘটনাটিকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের অংশ হিসেবেই দেখতে চান। পাশাপাশি "সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে একশনের পক্ষেই আছি" বলে উল্লেখ করেন এই সংসদ সদস্য।





































