ফতুল্লায় মাদকের স্পটগুলোর নাম জানালেন এমপি আল আমিন
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেছেন, “আমি স্পেসিফিক কয়েকটি বিষয়ে কথা বলব যে, ধলেশ্বরী নদী থেকে মাটি কাটা নিয়ে ব্যাপক রিপোর্ট হয়েছে। কিন্তু আমরা মনে করছি অভিযানগুলো আরও গতিশীল হওয়া দরকার। এবং বক্তাবলীতে অবৈধ ইটভাটা আছে নদীর দুই পাশে সে বিষয়ও পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”
রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
ফতুল্লায় মাদক নির্মূলে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “মাদকের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশ র্যাব এবং বিজিবিসহ একটি সমন্বিত অভিযান করা যায় কিনা। ফতুল্লা অঞ্চলটি মাদকে জর্জরিত। আমি স্পেসিফিক কয়েকটি জায়গার নাম বলতে চাই- লালপুর, তল্লা, কাশিপুরের নরসিংপুর, কুতুবপুরের রসুলপুর, মুন্সিবাগ, রামারবাগ ও লাকিবাজার। আমরা কালকে দেখেছি যে গত তিনদিন আগে মাদকের কারণে ছুরিকাঘাত করছে, গতকাল মার্ডার হয়েছে। এই ধরনের ঘটনাগুলোর জায়গার নাম বললাম। এই এলাকাগুলো ব্যাপক মাদক এবং কিশোর গ্যাং-এ জর্জরিত।”
এমপি বলেন, “বিশেষ করে এসব এলাকাগুলা হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিয়াল। এই এলাকার শ্রমিকেরা বেতন নিয়ে যাওয়ার সময় ছিনতাই ও কিশোর গ্যাং-এর দ্বারা হয়রানির শিকার হয়। বিশেষ করে নারী শ্রমিকেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে।”
এসব সামাজিক সমস্যা সমাধানে বিশেষ অভিযান চালানোর বিষয়েও তাগিদ দেন তিনি।
আল আমিন বলেন, “জালকুড়ি থেকে পাগলা পর্যন্ত সড়কটি বিদ্যুতের কাজের জন্য ডিপিডিসির প্রয়োজনে সড়ক কাটা হয়েছিল। দুই বছর যাবৎ সড়কটি ওইভাবেই পড়ে আছে। আমরা চাই না- দপ্তর দপ্তর এই অজুহাত বা হ্যান্ডওভারটা চলুক। আমরা চাই কাজটা হোক। এই এলাকায় প্রতিদিন কোনো না কোনো দুর্ঘটনা ঘটছে।”
তিতাসের গ্যাস লাইনের লিকেজ মেরামত, পুরাতন লাইন পরিবর্তন ও গ্যাসের চাপ বাড়ানোর বিষয়েও তাগিদ দেন এ সংসদ সদস্য।
জেলা প্রশাসক রায়হান কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু, জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, র্যাব-১১-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন, জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ এফ এম মুশিউর রহমান এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. নূর কুতুবুল আলম।
এছাড়া সভায় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, জামায়াতে ইসলামী মহানগরীর সাবেক আমীর মাওলানা মাইনুদ্দিন আহমাদ, গণসংহতি আন্দোলনের জেলা সমন্বয়কারী তারিকুল ইসলাম সুজন, ইসলামী আন্দোলন মহানগরের সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহ এবং বিকেএমইএ-এর সহসভাপতি মোরশেদ সারোয়ার সোহেলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।





































