১০ মার্চ ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ২২:৩৩, ৯ মার্চ ২০২৬

শীতলক্ষ্যা খেয়া পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া বন্ধের দাবি 

শীতলক্ষ্যা খেয়া পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া বন্ধের দাবি 

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে বন্দরে খেয়া পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও যাত্রী হয়রানি বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটি বন্দর শাখা। 

সোমবার (৯ মার্চ) নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, পুলিশ সুপার, বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারকলিপি দেন তারা। 

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী রিপন স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, প্রতিবছর পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে বন্দরে এক শ্রেণির মানুষ সিএনজি, মিশুক বা অটোরিকশা চালক ও খেয়া পারাপারে নৌকার মাঝিরা সংগঠিতভাবে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে। যাত্রী হয়রানি ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে থাকে। আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে পুনরায় একই ধরনের অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

তারা আরও বলেন, বিশেষত বন্দরে বিভিন্ন খেয়াঘাটে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, নির্ধারিত নিরাপদ ধারণক্ষমতার তোয়াক্কা না করে একটি নৌকায় ৬ জন যাত্রীর পরিবর্তে ১২ থেকে ১৫ জন পর্যন্ত যাত্রী বহন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত মালামাল বোঝাই করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নদীপথে এ ধরনের অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহনের ফলে যে কোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া নদী পারাপারে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত জোরপূর্বক আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিবাদ করলে যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, গালিগালাজ ও মানসিক ও শারীরিক লাঞ্ছিত করার ঘটনাও ঘটছে। একইভাবে অটোরিকশা ও মিশুক চালকদের মধ্যেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রস্তুতির খবর পাওয়া যাচ্ছে, যা ঈদ উপলক্ষে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। জনস্বার্থ, জননিরাপত্তা ও সুশাসনের স্বার্থে বিষয়টি তাৎক্ষণিক ও কার্যকর প্রশাসনিক তদারকি অত্যন্ত জরুরি। 

হয়রানি রোধে নৌকায় মালামাল বহন নিষিদ্ধ করা, সিএনজি ও অটোরিকশার ভাড়া তালিকা প্রকাশ করে দৃশ্যমান স্থানে টানানো এবং হয়রানি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়