০৮ অক্টোবর ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ২০:১০, ৭ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ২০:১১, ৭ অক্টোবর ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে এবার ২৪০ পূজা মণ্ডপ, নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভি-নজরদারি

নারায়ণগঞ্জে এবার ২৪০ পূজা মণ্ডপ, নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভি-নজরদারি

শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে নারায়ণগঞ্জে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির পাশাপাশি নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। জেলার ২৪০টি পূজামণ্ডপে নির্বিঘ্নে পূজা উদ্‌যাপন নিশ্চিত করতে সিসিটিভি স্থাপন, নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু, সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন ও নিয়মিত টহলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি অনুযায়ী পুলিশ, আনসার, এসআরবি, বিজিবি ও গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

পঞ্জিকা অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের সূচনা হবে। ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হবে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। এবার দেবীর আগমন ঘোটকে এবং গমন নৌকায়।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদ্‌যাপন নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। প্রতিটি মণ্ডপের নিরাপত্তার পাশাপাশি চুরি, ছিনতাই, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনার প্রস্তুতিও রয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, উৎসবের আনন্দে যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসিটিভি স্থাপন, পূজা কার্যক্রম সমন্বয়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ, আনসার, এসআরবি, বিজিবি ও গোয়েন্দা সদস্য মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মণ্ডপকেন্দ্রিক নিরাপত্তার পাশাপাশি নিয়মিত টহল জোরদার করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী মোবাইল কোর্টও মাঠে কাজ করবে।

জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, শুধু পূজামণ্ডপের ভেতরের নিরাপত্তা নয়, পূজাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা অপতথ্য ছড়িয়ে কেউ যাতে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে না পারে, সেদিকেও নজরদারি রাখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মণ্ডপের আশপাশে সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। পরিস্থিতি অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতিও রয়েছে।

প্রশাসন ও পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, পূজার সময় বিপুলসংখ্যক মানুষের চলাচল ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নিরাপত্তার পাশাপাশি জনশৃঙ্খলা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে উৎসবের পরিবেশ বজায় রাখতে জেলার সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়