বন্দরে অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ ইউএনওর
বন্দরের বিভিন্ন এলাকায় মাদক, ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই ও ইভটিজিং প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিবানী সরকার। অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১১টায় বন্দর উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় তিনি এসব নির্দেশনা দেন। সভায় সাম্প্রতিক বুলবুল হত্যাকাণ্ডসহ উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় কিশোর অপরাধ নিয়েও আলোচনা করা হয়। কিশোররা যাতে অপরাধী চক্র বা কিশোর গ্যাংয়ে জড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সন্তানদের চলাফেরা ও অনলাইন কার্যক্রমের বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
অনলাইন প্রেমের ফাঁদ ও হানিট্র্যাপের মতো ঘটনায় কিশোর-তরুণদের জড়িয়ে পড়ার বিষয়টিকেও সভায় উদ্বেগজনক হিসেবে তুলে ধরা হয়।
এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ও অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে স্ট্রিট লাইট ও সিসি ক্যামেরা স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়। অতিরিক্ত স্পিড ব্রেকারের কারণে ফায়ার সার্ভিসের জরুরি সেবা ব্যাহত হওয়ার বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রহিমা আক্তার ইতি, র্যাব-১১-এর কালিরবাজার ক্যাম্প কমান্ডার মো. মুহিত কবির, বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জামাল উদ্দিন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রাজিউর রহমানসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।





































