বন্দরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম, স্বামী আটক
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও তার ছোট বোনকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে জখমের অভিযোগে স্বামী পাভেল ওরফে আলোকে (৪০) আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে বন্দর থানার রুপালী আবাসিক এলাকার ৫ নম্বর গলিতে এ ঘটনা ঘটে।
আটক পাভেল পিরোজপুর জেলার কাউখালী থানার পারশাতুলিয়া এলাকার সেলিম মিয়ার ছেলে।
এ ঘটনায় আহত গৃহবধূর বাবা রুহুল আমিন খন্দকার (৬৫) বাদী হয়ে বন্দর থানায় জামাতার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ তাকে আদালতে পাঠায়।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৭-১৮ বছর আগে মুন্নি বেগমের সঙ্গে পাভেলের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই সন্তান রয়েছে। বর্তমানে মুন্নি ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। জীবিকার তাগিদে তারা ঢাকার মিরপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
অভিযোগে বলা হয়, বিয়ের পর থেকেই পাভেল যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। শ্বশুর ধাপে ধাপে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিলেও পুনরায় ১ লাখ টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে প্রায় পাঁচ মাস আগে স্ত্রীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন পাভেল।
ঘটনার দিন বিকেলে পাভেল শ্বশুরের বন্দর এলাকার ভাড়া বাসায় এসে আবারও ১ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না পেয়ে তিনি ঘরের খাটের নিচ থেকে কুড়াল বের করে স্ত্রী মুন্নির মাথার পেছনে কোপ দেন। তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে ছোট বোন মিথিলা আক্তার মুক্তাকেও কুপিয়ে জখম করা হয়।
পরে স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে জেনারেল ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানকার চিকিৎসক তাদের অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।





































