সিদ্ধিরগঞ্জে ব্যালট পেপার খোলা নিয়ে উত্তেজনা, গুজব বলছে প্রশাসন
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সিদ্ধিরগঞ্জে ভোটের আগের রাতে একটি ভোটকেন্দ্রে ব্যালট পেপার খোলা নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ধনকুন্ডা পপুলার হাইস্কুলের ভোটকেন্দ্র-২–এ এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহীনা ইসলাম চৌধুরীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ভোটগ্রহণের আগের রাতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যালট পেপার ও ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখার প্রক্রিয়া চলছিল। সেখানে বাইরের কেউ উপস্থিত ছিল না এবং কোনো দলীয় আলোচনা বা অনৈতিক কর্মকাণ্ড হয়নি।
তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের আগে যেসব কাজ করার নিয়ম আছে, সংশ্লিষ্টরা সেগুলোই করছিলেন। ভোটার তালিকা অনুযায়ী ব্যালট পেপার মিলিয়ে দেখা হচ্ছিল। বিষয়টি আমি নিজে যাচাই করে দেখেছি।”
প্রিজাইডিং অফিসারের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে শাহীনা ইসলাম চৌধুরী বলেন, “নিয়ম মেনে তাকে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক। রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি কোনো অনৈতিক কাজ করেননি।”
এ বিষয়ে কেন্দ্রটির প্রিজাইডিং অফিসার মো. বশিরুল হক ভূঁইয়া বলেন, বিএনপির কর্মীরা বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছেন বলে তার অভিযোগ।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ইকবাল ভূঁইয়া বলেন, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত জানেন না।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার পুরো ঘটনাটিকে গুজব হিসেবে উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ভোটের পরিবেশ অশান্ত করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি ছড়ানো হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভোটগ্রহণের আগে ও ভোটের দিন সব কেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারি করবে।





































