কিছু লোক বাড়ি থেকে ডেকে এনে মানুষকে ধমকাচ্ছে: মোহাম্মদ আলী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির হাতি প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মোহাম্মদ আলী বলেছেন, “সুষ্ঠ নির্বাচন করার ক্ষেত্রে যেটা প্রয়োজন, সেটা আপনাদের (প্রশাসন) করতে হবে। জোর করে বাড়ি থেকে ডেকে এনে যদি কাউকে কিছু বলা হয়, তাহলে কি সুষ্ঠ নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা থাকে? আমার মনে হয় না। আপনারা যদি সুষ্ঠ নির্বাচন রক্ষা করতে না পারেন, তাহলে আমরা একযোগে পদত্যাগ করে চলে যাবো।”
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা কনফারেন্স কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মোহাম্মদ আলী বলেন, “ফতুল্লা এলাকার মালিক জনগণ। জনগণ যদি আমাকে নির্বাচিত করে, তাহলে জনগণের উন্নয়নে যা যা করা দরকার তাই করবো। জলাবদ্ধতা একটি বড় সমস্যা, সহজে সমাধান করা কঠিন। চাষাঢ়া থেকে পোস্তগোলা সড়ক চার লেনে উন্নীত করার বিষয়ে আমি কাজ করবো। মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূল করবো—এলাকা সন্ত্রাস-চাঁদাবাজিতে ভরে গেছে।”
তিনি আরও বলেন, “বিজয়ী হলে শিল্প ও কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা হবে। মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল ও ওয়ার্ডভিত্তিক কমিউনিটি সেন্টার স্থাপন করা হবে। আমি নির্বাচিত হলে প্রতিদ্বন্দ্বী সব প্রার্থীর পরামর্শ নিয়ে কাজ করবো।”
প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা সবাই সুষ্ঠ নির্বাচন চাই। আপনারা যেমন চেষ্টা করছেন, আমরাও করছি। কিন্তু কিছু লোক বাড়ি থেকে ডেকে এনে মানুষকে ধমকাচ্ছে। ভোট দিতে গিয়ে যদি কেউ বাধার মুখে পড়ে, তখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে আপনারা কী করবেন, সেটা আপনারাই ভালো বোঝেন। প্রয়োজনে ব্যক্তিগতভাবে বিস্তারিত আলোচনা করা যেতে পারে।”
আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার এস এম ফয়েজউদ্দিন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ রায়হান কবির।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, জেলা নির্বাচন অফিসার আলমগীর হোসেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শাহ আলম, মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মনির হোসাইন কাসেমী, জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মুফতি ইসমাইল কাউসার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন, জাসদের প্রার্থী মো. সুলাইমান, সিপিবির প্রার্থী ইকবাল হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী আরিফ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী সেলিম আহমেদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।





































