শিক্ষক আব্দুল হামিদের স্মরণে বি.এম.-৯২ ব্যাচের দোয়া ও মিলাদ মাহফিল
বি.এম. ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন শিক্ষক হাফেজ মাওলানা আব্দুল হামিদের মধ্যে একজন আদর্শ শিক্ষকের সব গুণাবলি ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রতিষ্ঠানটির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মাজহারুল আলম খান পাভেল।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বাদ জুমা কলেজের গভর্নিং বডির মিলনায়তনে আব্দুল হামিদের স্মরণে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন। বি.এম.-৯২ ব্যাচের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
হাফেজ মাওলানা আব্দুল হামিদ টানা ৩৫ বছর প্রতিষ্ঠানটিতে ইসলাম শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষকতা করেছেন। পাশাপাশি বন্দর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
স্মৃতিচারণে মাজহারুল আলম খান পাভেল বলেন, “ছাত্রজীবনে যাঁর কাছে দোয়া চেয়েছি, আজ তাঁর জন্য দোয়া করতে বসেছি। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি মসজিদের ইমাম ছিলেন। একজন আদর্শ শিক্ষক হওয়ার জন্য যে গুণাবলি প্রয়োজন, তাঁর মধ্যে তার সবই ছিল।”
তিনি বলেন, শিক্ষকদের শিক্ষা ও দিকনির্দেশনা তাঁর আজকের অবস্থানে আসার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। আব্দুল হামিদ স্যারের অবদান তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
পাভেল আরও জানান, আগামী রোববার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর আব্দুল হামিদের জন্য দোয়ার আয়োজন করা হবে। এ ছাড়া সব ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে বড় পরিসরে দোয়া ও মিলাদ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হলে প্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটি পাশে থাকবে।
বি.এম.-৯২ ব্যাচের মিল্লাত হোসেন স্বপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল গণি, অ্যাডহক কমিটির অভিভাবক সদস্য মেহেদী হাসান সজীব, সদস্যসচিব ও অধ্যক্ষ আজিজুর রহমান, বন্দর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক প্রতিনিধি আলাউদ্দিন সরকার এরিক, বি.এম.-৮৭ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও মরহুমের বড় মেয়ের জামাতা গোলাম হোসেন, বি.এম.-৯২ ব্যাচের সভাপতি মো. মোহাতার বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন মিলন এবং প্রতিষ্ঠানের সাবেক অভিভাবক সদস্য মহিউদ্দিন সিদ্দিকী। এ ছাড়া বি.এম.-৮৩, ৮৬ ও ৮৯ ব্যাচের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক মো. আলাউদ্দিন।





































