বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী সুজন অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জ বন্দরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি সুজনকে বিদেশি রিভলভার ও গুলিসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১১। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৩টার দিকে র্যাব-১১, সিপিএসসির একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দর থানার চাঁনপুর গ্রামে সুজনের বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানে একটি বিদেশি রিভলভার ও সাত রাউন্ড গুলিসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার এক সহযোগীকেও আটক করা হয়।
র্যাব জানায়, বন্দর ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী সুজন ও তার বাহিনীর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, জমি দখল, আধিপত্য বিস্তারসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। নতুন স্থাপনা নির্মাণে চাঁদা আদায়, চাঁদা না দিলে কাজ বন্ধ ও মারধর, শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী পয়েন্টে ট্রলার ও বাল্কহেড থেকে চাঁদা আদায় এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত ‘মাসোহারা’ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সাধারণ মানুষের পৈতৃক জমি জোরপূর্বক দখল ও ভয়ভীতি দেখিয়ে নামমাত্র মূল্যে জমি লিখে নেওয়ার ঘটনাতেও সে এলাকায় কুখ্যাত বলে জানায় র্যাব।
র্যাব আরও জানায়, আধিপত্য বজায় রাখতে সুজন আগ্নেয়াস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী ব্যবহার করত। তার ছত্রছায়ায় মদনপুর ও বন্দর এলাকায় গাঁজা, ইয়াবা ও ফেন্সিডিলের একটি সক্রিয় মাদক নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে। এসব অপরাধ কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— বন্দর চাঁনপুর এলাকার কানা মতিনের ছেলে মো. সুজন (২৯), এবং একই এলাকার মৃত আলীর ছেলে মো. রুবেল (৩৫)।
র্যাব জানায়, সুজনের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় অস্ত্র, ডাকাতি ও হত্যা মামলাসহ অন্তত ২২টি মামলা রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।





































