২৬ জুলাই ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ২১:০২, ২৫ জুলাই ২০২৬

সংস্কার থেকে সরে আসা জনগণের প্রত্যাশার পরিপন্থী: এমপি আল আমিন

সংস্কার থেকে সরে আসা জনগণের প্রত্যাশার পরিপন্থী: এমপি আল আমিন

রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কার, আমলাতান্ত্রিক রূপান্তর এবং গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর যুগ্ম সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকার রূপসী বাংলা গ্র্যান্ড বলরুমে অনুষ্ঠিত ‘বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স-২০২৬’-এর ‘বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, আমলাতান্ত্রিক রূপান্তর ও গণতন্ত্রের সুসংহতকরণ’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড্যাকা ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স (ডায়রা) এবং ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই)-এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ আলোচনায় সহ-আলোচক হিসেবে অংশ নেন সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম, সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান এবং আইআরআই বাংলাদেশের রেসিডেন্ট প্রোগ্রাম ডিরেক্টর জন ফ্লুহার্টি।

আলোচনায় অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, “গণভোটে জনগণ যে সংস্কারের পক্ষে সুস্পষ্ট রায় দিয়েছিল, নির্বাচনের পর সেই অঙ্গীকার থেকে সরে আসা জনগণের প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকারের পরিপন্থী। রাজনৈতিক সুবিধার জন্য নয়, বরং জনগণের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হবে।”

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রেখে বিচার বিভাগ, মানবাধিকার কমিশনসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে সংসদ সদস্যদের জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি হিসেবে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের সুযোগ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে যেসব সংস্কার বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সংখ্যাগরিষ্ঠতার অজুহাতে সেসব সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করা রাজনৈতিক আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বার্থে ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন করা জরুরি।”

নতুন প্রজন্মের ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “বর্তমান প্রজন্ম আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি রাজনৈতিকভাবে সচেতন। গণঅভ্যুত্থান ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়েছে, তা আর থেমে থাকবে না। একটি জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক ও সংস্কারমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় জনগণের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান দেখিয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

সর্বশেষ

জনপ্রিয়