০৬ আগস্ট ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৭:৫৮, ৫ আগস্ট ২০২৬

আপডেট: ১৮:০৬, ৫ আগস্ট ২০২৬

সংঘর্ষের পর তোলারাম কলেজের ছাত্রাবাস বন্ধ ঘোষণা

সংঘর্ষের পর তোলারাম কলেজের ছাত্রাবাস বন্ধ ঘোষণা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজে আয়োজিত সভায় দেওয়া পাল্টাপাল্টি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ইসলামী ছাত্রশিবির ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের পর ছাত্রাবাস বন্ধ ঘোষণা করেছে কলেজ প্রশাসন।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুর বারোটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষের পর বিকেলে ইসদাইর এলাকায় অবস্থিত তোলারাম কলেজের ‘শের-ই বাংলা ছাত্রাবাস’ বন্ধের ঘোষণা দেয় কলেজ কর্তৃপক্ষ।

কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম ও হোস্টেল সুপারের স্বাক্ষরিত এক নোটিশে বিকেল চারটার মধ্যে এই ছাত্রাবাসের আবাসিক ছাত্রদের হল ছাড়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ছাত্রাবাস বন্ধ থাকবে বলেও জানানো হয়।

এদিকে, এই ঘোষণার পর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ছাত্রাবাসে গিয়ে ছাত্রশিবিরের অনুসারীদের বের করে দেন। পরে সেখানে পুলিশ সদস্যরাও উপস্থিত হন। ছাত্রাবাস থেকে দুইজন ছাত্রকে পুলিশের ভ্যানে তুলতে দেখা যায়।

ইসলামী ছাত্রশিবিরের মহানগর শাখার সভাপতি অমিত হাসান মুঠোফোনে বলেন, “আমরা শুনেছি, ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ছাত্রাবাসে কয়েকজনকে মারধর করেছে।”

জানতে চাইলে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম বলেন, “কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রাবাস বন্ধ ঘোষণা করেছে। কিন্তু কয়েকজন ছাত্র এই মুহুর্তে ছাত্রাবাস ছাড়তে চান না। এ নিয়ে কিছুটা উত্তেজনা চলছে। সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।”

তবে, কাউকে আটকের বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেননি।

এদিকে, কলেজের পাশে ‘ছাত্রী নিবাসের’ ছাত্রীদেরও হল গেইট বন্ধ করে দেওয়া হয়। হলের এক শিক্ষার্থী মুঠোফোনে বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ছাত্রীরা পড়াশোনা ও টিউশনির জন্য রাত আটটা পর্যন্ত বাইরে থাকতে পারেন। কিন্তু সংঘর্ষের ঘটনার পর হল বন্ধ করে দেওয়া হয়। এবং পরিস্থিতি শিথিল না হওয়া পর্যন্ত কাউকে বের না হওয়ার জন্য হল সুপার দারোয়ানকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

এর আগে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের সংঘর্ষে এক সাংবাদিকসহ উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। তাদের মধ্যে পাঁচজন স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়