১৯ জুলাই ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ০৯:৩১, ১৮ জুলাই ২০২৬

মন্দিরে ভাঙচুর ও পূজায় বাধার অভিযোগে মামলা

মন্দিরে ভাঙচুর ও পূজায় বাধার অভিযোগে মামলা

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন একটি মন্দিরে ঢুকে পূজায় বাধা সৃষ্টি, পূজার সামগ্রী ও মালামাল ভাঙচুর এবং মূর্তি পূজাকে ‘শিরক’ আখ্যা দিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ইয়াসিন নাবিল (২৬) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মন্দিরের সদস্য ও ১৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খোকন সাহা বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেন। এর আগে ঘটনাস্থল থেকে ইয়াসিন নাবিলকে আটক করে পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১৬ জুলাই) দুপুর ১২টা ২০ মিনিট থেকে ১২টা ২৫ মিনিটের মধ্যে পাঞ্জাবি ও পায়জামা পরিহিত আনুমানিক ২৬ বছর বয়সী এক যুবক লয়েল ট্যাংক রোডের ‘শ্রী শ্রী ত্রিপল লিঙ্গ মঠ দরিদ্র ভাণ্ডার কালী মন্দিরে’ প্রবেশ করেন। তখন মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ‘কাঠাম পূজা’ চলছিল।

অভিযোগে বলা হয়, ওই যুবক পূজার স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করেন এবং পূজার আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম ও ফলমূল লাথি মেরে ফেলে দেন। একপর্যায়ে তিনি ‘মূর্তি পূজা শিরক, পূজা বন্ধ করতে হবে’ বলে উপস্থিত লোকজনকে কটূক্তি ও হুমকি দেন।

এ সময় উপস্থিত লোকজন ওই যুবককে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়। পুলিশের দাবি, ওই সময় যুবকটি আহত অবস্থায় ছিলেন এবং প্রথমে নিজের নাম-ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি জানান।

পরে অমিত হাসান (৪৮) নামে এক ব্যক্তি থানায় এসে আটক যুবককে নিজের ছোট ভাই হিসেবে শনাক্ত করেন। তিনি জানান, ওই যুবকের নাম ইয়াসিন নাবিল (২৬)। সে বন্দর মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছে এবং বর্তমানে বন্দর থানার রূপালী আবাসিক এলাকায় বসবাস করে।

মন্দির কমিটির সভাপতি ব্যবসায়ী ননী গোপাল সাহা, নারায়ণগঞ্জ জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট রাজীব মন্ডল, মন্দিরের পুরোহিত কমল চক্রবর্তীসহ কমিটির নেতারা থানায় উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ জানায়, আটক যুবকের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনার পর এজাহার দায়ের করতে কিছুটা সময় লেগেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়