২৮ জুলাই ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৩:৩১, ২৭ জুলাই ২০২৬

সোনারগাঁয়ে বাড়িতে ঢুকে বিএনপিকর্মী রাজুকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা

সোনারগাঁয়ে বাড়িতে ঢুকে বিএনপিকর্মী রাজুকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় রাজু আহম্মেদ (৩২) নামে এক বিএনপিকর্মীকে বাড়িতে ঢুকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৬ জুলাই) রাত ১১টার দিকে উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরহোগলা বালুরঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলায় তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে পরিবারের কয়েকজন সদস্যও আহত হয়েছেন।

নিহত রাজু আহম্মেদ ওই এলাকার আয়নাল হকের ছেলে। তিনি স্থানীয় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং গরুর খামার পরিচালনা করতেন বলে জানিয়েছেন শম্ভুপুরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম।

নিহতের মা সালেহা বেগমের অভিযোগ, রোববার রাতে রাজুর এক ফুফাতো ভাইয়ের সঙ্গে স্থানীয় শাহাদাত বাহিনীর প্রধানের সহযোগী নুরুল ও জাকিরের কথা-কাটাকাটি ও পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে রাজু সেখানে গিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কিছুক্ষণ পর রাত ১১টার দিকে নুরুল ও জাকিরের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের বাড়িতে হামলা চালায়।

পরিবারের দাবি, ফুফাতো ভাইকে না পেয়ে হামলাকারীরা রাজুকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এ সময় তাঁকে রক্ষা করতে গেলে পরিবারের নারী সদস্যসহ অন্য স্বজনদেরও মারধর করা হয়।

চিৎকার শুনে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় রাজুকে মুন্সীগঞ্জ সদর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বড় বোন সোনিয়া বেগম অভিযোগ করেন, রাজু দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও প্রায় তিন মাস আগে সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর স্থানীয় বিএনপি নেতা শাহাদাত প্রধানের সঙ্গে তাঁর বিরোধ সৃষ্টি হয়। সেই বিরোধের জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে তাঁর ভাইকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়