বন্দরে চাঁদা দাবির অভিযোগে বিএনপির ৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
নারায়ণগঞ্জের বন্দরের মদনপুর ফুলহর এলাকায় একটি হাসপাতালের পরিচালকের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বিএনপির ৬ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে মদনপুর স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক মিতু আক্তার বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে বন্দর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন- মদনপুর ফুলহর এলাকার শহিদুল্লাহ পাইসার ছেলে এসএম মোমেন, মৃত মহব্বত আলীর ছেলে মো. শফিউল্লাহ (৪০), হাবিব উল্লাহর ছেলে এসএম বিল্লাল ওরফে টোকাই বিল্লাল (২২), জাহেরুল্লাহর ছেলে দ্বীপ হোসেন (২৮), আলাল হোসেনের ছেলে আরাফাত (১৮) ও রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে সুজন (১৯)।
এদের মধ্যে এসএম মোমেন বর্তমানে মহানগর তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পদে রয়েছেন।
মামলার এজাহারে বাদী মিতু আক্তার উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা পূর্বে আওয়ামী লীগের দোসর ছিলেন। ৫ আগস্টের পর তারা বিএনপির পরিচয় দিয়ে এলাকায় নিরীহ মানুষদের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় তার কাছেও ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে হাসপাতাল পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়।
এজাহার অনুযায়ী, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মদনপুর স্পেশালাইজড হাসপাতালে প্রবেশ করে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দাবিকৃত টাকা দিতে অস্বীকার করলে তারা গালিগালাজ করে মারধরের চেষ্টা করে।
পরবর্তীতে ১৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তারা আবার হাসপাতালে গিয়ে চাঁদা দাবি করে। এ সময় তারা ভবনের কেয়ারটেকার মো. সালাউদ্দিনকে (৩৬) মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেন এবং তার পকেটে থাকা ভবনের ভাড়া বাবদ নগদ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যান। কেয়ারটেকার সালাউদ্দিনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রকাশ্যে খুন-জখমের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, থানায় মামলাটি গ্রহণ করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিষয়টি দেখছেন। তদন্ত করে কোনো সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





































