সালামি দিতে নতুন টাকা উঠেয়ে এনেছি: মামুন মাহমুদ
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, “এক সময় ছিল সালামি পাওয়ার আর এখন হলো সালামি দেওয়ার। ‘রমজানের এই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ গানটা হাই-ভলিউমে ঘরে ঘরে বাজত। কে কত জোরে বাজাবে, এইটা একটা আনন্দ আমার মনে পড়ে। হয়তো সময় বদলেছে, কাজ-দায়িত্বের ধরণ পাল্টেছে কিন্তু আনন্দ একই আছে। আমার এই বয়সেও ঈদ নিয়ে অনেক ভাবনা থাকে। ওই সময় ছিল, সালামি পাওয়ার আর এখন হলো সালামি দেওয়ার। আমি ইতোমধ্যে ব্যাংক থেকে নতুন টাকা উঠিয়ে এনেছি। যাতে নতুন টাকা দিয়ে সালামি দিতে পারি। কাজেই আনন্দটা একেক সময় একেক রকম।”
প্রেস নারায়ণগঞ্জের ‘বিশেষ আয়োজন’ ঈদ আড্ডায় তিনি এসব কথা বলেন।
নারায়ণগঞ্জবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমার বয়স প্রায় ৬০ বছর, এই বয়সে কী পর্যায়ে আনন্দ করা যায় আমি সেটাই চিন্তা করি। আমি কোথায় বেড়াতে যাব, কাউকে দাওয়াত করে আমার বাসায় নিয়ে আসবো এটা আনন্দের ভাগাভাগি। সুতরাং আমি আমার মত করে প্ল্যান করছি, আমার এই বয়সে যেটা মানায় সেটাই করছি।”
ছোটবেলার ঈদের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “ছোটবেলায় টাকা হারিয়ে যাওয়ার একটা ভয় থাকতো। পাঁচ-ছয় বছর বয়সে মা বাবারা চিন্তা করতো, এতগুলো টাকা আমার কাছে রাখি। খরচ তো ওর জন্যই করব। দেখা যেত আমরা পকেটে সারাদিন টাকা রাখতাম। রাতের বেলা আইসা কান্নাকাটি, টাকা হারায়ে গেছে। তাই তারা বলেতেন, আমাদের কাছে রেখে দিই। এই আক্ষেপ শিশুদের মনে, আমাদের মনে সবসময় থাকে যে, মা বাবা নিয়ে গেছে। এটা তো আমার হাতে নাই। কথাটা সত্য, পুথিগত বিদ্যা, পরহস্তে ধন, নহে বিদ্যা নহে ধন হলে প্রয়োজন। চাইলে দিবে কিন্তু মা-বাবা যার কাছেই হোক চাইতে তো হবে। এখন চাইলাম দিলো না, একটু পরে দেই। এই যে একটা স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এই আক্ষেপটা কিন্তু সব বাচ্চাদেরই হয়।”
তিনি আরও বলেন, “নাগরদোলায় অনেক চড়েছি। ছোটবেলায় না, এখনো মনে হয় চড়ি। আমাদের বাচ্চারা চড়ে, আমাদেরও চড়তে ইচ্ছা করে। সোনারগাঁয়ে লোকশিল্প মেলায় গিয়েও চড়েছি। নাগরদোলা এটা একটা আমাদের জীবন, কৃষ্টি, কালচার, সংস্কৃতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।”





































