প্রার্থিতা ফিরে পেতে আপিলে যারা
নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া ১৬ জনের মধ্যে প্রার্থিতা ফিরে পেতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করছেন ১৩ জন প্রার্থী। আপিলের জন্য তারা ইতোমধ্যে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্রের নকলও সংগ্রহ করেছেন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন প্রেস নারায়ণগঞ্জকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে শনিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন জেলা রিটর্নিং কর্মকর্তা রায়হান কবির।
তফসিল অনুযায়ী, যাচাই-বাছাই পর্বে যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। এছাড়া, কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী কারো অভিযোগ থাকলে তাও কমিশনে লিখিতভাবে জানাতে পারবেন। এই আবেদন করা যাবে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত।
তবে, এজন্য আগে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মনোনয়নপত্রের নকল সংগ্রহ করতে হয় বলে জানান আলমগীর হোসেন।
এখন পর্যন্ত যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পড়া ১৩ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্রের নকল তুলেছেন বলেও জানান তিনি।
তারা হলেন: নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান চন্দন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. দুলাল। নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী আবু হানিফ হৃদয়, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ, স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল আউয়াল ও মিনহাজুর রহমান। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে সিপিবি’র প্রার্থী ইকবাল হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের আরিফ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টির সেলিম আহমেদ, জাতীয় পার্টির সালাউদ্দিন খোকা মোল্লা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ফাতেমা মনির। এছাড়া, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী নাহিদ হোসেন ও স্বতন্ত্র মাকসুদ হোসেনও মনোনয়নপত্রের নকল তুলেছেন।
তাদের সকলেরই মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বাতিল বলে ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের শেষ তারিখ ১১ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তির কার্যক্রম চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।





































