শুক্রবার রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে গণসংহতি আন্দোলনের মতবিনিময়

নারায়ণগঞ্জে আগামী ২৯ আগস্ট গণসংহতি আন্দোলনের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হবে। এ উপলক্ষে বিকাল ৪টায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও ২০১৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে চাষাড়া বিজয়স্তম্ভে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হবে। এরপর বিকাল ৫টায় “গণঅভ্যুত্থান পরর্বতীতে নারায়ণগঞ্জ গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা ও বাস্তবতা” শীর্ষক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মতবিনিময় সভায় গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়কারী তরিকুল সুজনের সভাপতিত্বে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এবিএম সিরাজুল মামুন, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ও জেলা কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী এ্যাড. আল আমিন, ইসলামী আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিটির সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ, এবি পার্টির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা কমিটির সভাপতি শাহজাহান ব্যাপারী, গণঅধিকার পরিষদের নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নাহিদ, সিপিবি’র নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি মাহমুদ হোসেন, জাসদ (রব) এর নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিটির সভাপতি মোতালেব মাস্টার ও জাসদ (আম্বিয়া) জেলা সভাপতি সোলায়মান দেওয়ান উপস্থিত থাকবেন।
উল্লেখ্য, ২০০২ সালের ২৯ আগস্ট জনগণের স্বার্থের প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল হিসেবে গণসংহতি আন্দোলন যাত্রা শুরু করে। তার ধারাবাহিকতায় ২০০২ সাল থেকে বিভিন্নভাবে নারায়ণগঞ্জে সক্রিয় থাকলেও সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে উঠে ২০০৭ সালে। গত ১৮ বছর নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানীয় আন্দোলনসহ সরকার বিরোধী সমস্ত আন্দোলনে গণসংহতি আন্দোলন সামর্থ্যের সর্বোচ্চ দিয়ে রাজপথে সক্রিয় ছিল। নারায়ণগঞ্জে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে বহু নেতা-কর্মী হামলা, নির্যাতন এবং অত্যাচার মোকাবিলা করেছে। এমনকি নেতা-কর্মীরা মামলারও শিকার হয়েছেন। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারী অন্যতম শক্তি ছিল গণসংহতি আন্দোলন।