দারিদ্র পরিমাপের তথ্য বাজেট প্রণয়নে সহায়ক হবে: সাখাওয়াত
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) এলাকার স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠীকে নগরীর অবকাঠামোগত উন্নয়ন সুবিধার আওতায় আনতে ‘জেণ্ডার সংবেদনশীল বহুমাত্রিক দারিদ্র পরিমাপ’ শীর্ষক প্রকল্পের অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে এবং আন্তর্জাতিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশনের উদ্যোগে নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাসিক প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বহুমাত্রিক দারিদ্র পরিমাপ প্রকল্পের মাধ্যমে স্বল্প আয়ের মানুষের প্রকৃত সমস্যা ও প্রয়োজনগুলো চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। সংগৃহীত তথ্য ভবিষ্যতে সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাজেট প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নাসিক প্রশাসক বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ২৬ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে ওয়াসার পানির লাইন না থাকায় সেখানকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সমস্যায় ছিলেন। বিষয়টি জানার পর ২৭টি ওয়ার্ডে মোট ৫৪টি সাবমার্সিবল পাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আগামী বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সঠিক ও বাস্তবভিত্তিক তথ্য পাওয়া গেলে তা নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়ক হবে।
প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক তাহমিদ হোসেন বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় বস্তি ও বস্তিবহির্ভূত এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষের বাস্তব চ্যালেঞ্জগুলো চিহ্নিত করা হবে। জরিপের মাধ্যমে পাওয়া তথ্য পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যবহার করা যাবে।
কর্মশালায় জানানো হয়, অস্ট্রেলিয়ান ডিপার্টমেন্ট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ট্রেডের অর্থায়নে এবং ইন্টারন্যাশনাল উইমেনস ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির সহযোগিতায় এক বছর মেয়াদি এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন। নাসিক এ প্রকল্পের তত্ত্বাবধানে থাকবে।
প্রকল্পের আওতায় স্বল্প আয়ের মানুষের খাদ্য, আবাসন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, স্যানিটেশন ও কর্মসংস্থানসহ ১৮টি মৌলিক চাহিদার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল উইমেনস ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির ইকুয়ালিটি ইনসাইটস-এর সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার অ্যামেলিয়া গ্রিভস, প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ইশরাত শবনম, আরবান রেজিলিয়েন্স লিড শামসুল আরেফিন, প্রোগ্রাম ম্যানেজার ফরিদউজ্জামান স্বপন, প্রকল্প ব্যবস্থাপক তাহমিদ হোসেনসহ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা, সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, এনজিও ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।





































