২৮ অক্টোবর ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৮:২৯, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

আপডেট: ১৮:২৯, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

বন্দরে আড়াই হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, চুন কারখানার লাইন উচ্ছেদ

বন্দরে আড়াই হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, চুন কারখানার লাইন উচ্ছেদ

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রায় আড়াই হাজার ডাবল বার্নারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে একটি অবৈধ চুন কারখানার গ্যাস সংযোগও উৎস থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার সুহা তাবিলের নেতৃত্বে তিতাস গ্যাসের জোনাল বিক্রয় অফিস-বন্দরের ব্যবস্থাপনায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দর উপজেলার জাঙ্গাল ও মালিবাগ বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন চারটি স্থানে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের শুরুতে জাঙ্গাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি অবৈধ চুন কারখানার গ্যাস সংযোগ শনাক্ত করা হয়। পরিদর্শনের সময় কারখানাটি বন্ধ থাকলেও মূল সরবরাহ লাইনের সঙ্গে দুই ইঞ্চি ব্যাসের অবৈধ ভালভের মাধ্যমে সংযোগ দেওয়া ছিল। পরে চার ফুট এমএস পাইপলাইন ও একটি ভালভ অপসারণ করে সংযোগটি উৎস থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়।

এরপর জাঙ্গাল বাসস্ট্যান্ডের প্রধান সড়কসংলগ্ন এলাকায় প্রায় এক হাজার অবৈধ ডাবল বার্নারের আবাসিক গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এসব সংযোগে প্রতি ঘণ্টায় আনুমানিক ২১ হাজার ঘনফুট গ্যাস ব্যবহারের সক্ষমতা ছিল। এ সময় ৬০ ফুট হোস পাইপ, ১০ ফুট এমএস পাইপ ও একটি ভালভ জব্দ করা হয়।

জাঙ্গাল বন্দর খাল ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় আরও এক হাজার অবৈধ ডাবল বার্নারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। সেখান থেকে ১৭০ ফুট এমএস পাইপ, ১০০ ফুট প্লাস্টিক কেসিং পাইপ ও তিনটি রেগুলেটর অপসারণ করা হয়।

এ ছাড়া মালিবাগ বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন এস এইচ ক্যাসেল অ্যান্ড রিসোর্টের পাশে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০০টি অবৈধ ডাবল বার্নারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এসব সংযোগের আনুমানিক গ্যাস ব্যবহারের সক্ষমতা ছিল প্রতি ঘণ্টায় ১০ হাজার ৫০০ ঘনফুট। এ সময় ১৫০ ফুট এমএস পাইপলাইন উচ্ছেদ করা হয়।

তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের হিসাবে, চারটি স্থানে পরিচালিত অভিযানে প্রতি ঘণ্টায় মোট ৫২ হাজার ৫০০ ঘনফুট গ্যাস ব্যবহারের সক্ষমতাসম্পন্ন প্রায় আড়াই হাজার অবৈধ ডাবল বার্নারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি অবৈধ চুন কারখানার গ্যাস সংযোগও উৎস থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়।

তিতাস গ্যাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় সম্পদ গ্যাসের অপচয় রোধ ও সরকারি রাজস্ব সুরক্ষায় অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়