১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ:

প্রকাশিত: ১৬:২৪, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

চমক দেখাতে পারে তারিকুল সুজনের ‘মাথাল’

চমক দেখাতে পারে তারিকুল সুজনের ‘মাথাল’

নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চমক দেখাতে পারেন তারিকুল ইসলাম সুজন। তিনি গণসংহতি আন্দোলন থেকে ‘মাথাল’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটারদের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে কথা বলছেন, শুনছেন তাদের অভিযোগ ও পরামর্শ, এবং নির্বাচিত না হলেও নাগরিক সমস্যায় পাশে থাকার অঙ্গীকার করছেন।

প্রচারণায় তার সঙ্গে অংশ নিচ্ছেন নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক ও নাগরিক আন্দোলনের পরিচিত মুখরা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জুলাই আন্দোলনের পরিচিত মুখ ফারহানা মানিক মুনা, খানপুর অঞ্চলের ক্রীড়াঙ্গন ও রাজনৈতিক অঙ্গনের আলমগীর হোসেন, নারায়ণগঞ্জ আইইটি স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থীসহ জুলাই অভ্যুত্থানের একদল তরুণ-তরুণী।

তারিকুল ইসলাম সুজন ১৯৯৬ সালে কিল্লারপুল এলাকার কাজী নজরুল ইসলাম স্মৃতি সংসদের মাধ্যমে সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুক্ত হন। পরবর্তীতে পাঠাগার, স্কাউটিং, পত্রিকা সম্পাদনা ও পথশিশুদের পাঠশালার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আইইটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াকালীন ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হন। ২০০৫ সালে নারায়ণগঞ্জ চারুকলায় পড়াকালে জোনায়েদ সাকির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্রফেডারেশনে যোগ দেন।

নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন তিনি। বাসভাড়া ও যাত্রী অধিকার, রেলওয়ের জমি রক্ষা, তানভীর মোহাম্মদ ত্বকীর হত্যার বিচারের দাবিতে আন্দোলন, সুন্দরবন রক্ষা এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়ে গুলিবিদ্ধ হন এবং আন্দোলন চলাকালে শামীম ওসমানের বাস পোড়ানোর ঘটনায় মামলার মুখোমুখি হন।

সদর ও বন্দরের স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, পানি, গ্যাস ও মাদক সমস্যা নিয়ে সচেতন থেকে সরব থাকা এই প্রার্থী সম্প্রতি রেড ক্রিসেন্টের একটি অ্যাডহক কমিটির সদস্য হিসেবেও স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমে যুক্ত আছেন।

এবারের নির্বাচনে ১৭ দফা ইশতেহার ছাড়িয়ে বিলবোর্ডে নির্বাচনী বার্তা প্রকাশ করায় তারিকুল সুজনের প্রচারণা ভিন্ন কৌশলের দৃষ্টান্ত হিসেবে স্থানীয়ভাবে আলোচিত হচ্ছে। ভোটারদের অংশগ্রহণ ও পছন্দের ওপর নির্ভর করবে তার নির্বাচনী সফলতা।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়