০৮ জুলাই ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ

প্রকাশিত: ২১:৩২, ৮ জুলাই ২০২৬

খেলাধুলাকে স্কুল সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে: মামুন মাহমুদ

খেলাধুলাকে স্কুল সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে: মামুন মাহমুদ

জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, “শিক্ষার্থীদের মাধ্যে পাঠদানকে আনন্দায়ক করতে খেলাধুলাকে সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রাক্তন খেলোয়াড়দের মাসিক ভাতা প্রদান করা হবে।”

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে নগরীর ওসমানী পৌর স্টেডিয়ামে জেলা পরিষদ আয়োজিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “ফুটবল আমাদেরকে অনেক বেশি আশা সঞ্চার করে। কারণ এক সময় নারায়ণগঞ্জ থেকে অনেক বড়-বড় খেলোয়াড় তৈরি হতো। কিন্তু ইদানিং সেই জায়গায় কিছুটা ভাটা দেখতে পাচ্ছি। তার কারণ, গত ১৭ বছর কোনো খেলাকে প্রমোট করা হয়নি এবং মাঠেরও কোনো পরিচর্যা করা হয়নি।”

তিনি আরও বলেন, “স্কুল ও কলেজ থেকে যে বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা ছিল, সেগুলো বিগত সময়ে হয়নি। তার কারণে যে খেলোয়াড় তৈরির কারখানা, সেটি বন্ধ ছিল বলে আমি মনে করি। এবং সেজন্য এখন নারায়ণগঞ্জে কোনো খেলোয়াড় তৈরি হতে দেখছি না।”

‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশকে বিশ্বের মাঝে তুলে ধরা যায়’- উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ফুটবল বিশ্বকাপে অনেক ছোট ছোট দেশকে আমরা দেখছি, যাদের নাম আমরা জানতাম না। বিশ্বকাপে এসে তারা নিজেদের দেশকে উপস্থাপন করছে, সারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরছে। আমরা কেন ১৮ কোটি মানুষ একটি ফুটবল টিম বিশ্বকাপে পাঠাতে পারছি না?”

“আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপের মঞ্চে দেশের টিমকে পাঠাতে আগ্রহ অনুভব করেন। এবং তিনি সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যে ‘নতুন কুঁড়ি’র মাধ্যমে স্কুলে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া অঙ্গণে উৎসাহিত করে প্রায় এক লাখ তরুণকে ক্রীড়ামুখী করেছিলেন। এবং ফুটবলের মধ্যে আবার নতুন করে প্রাণ সঞ্চার করতে পেরেছেন। পাশাপাশি খেলাধুলাকে স্কুল সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও জানিয়েছেন।”

তিনি আরও বলেন, “সরকারের প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রত্যেক উপজেলায় তিনি মাঠ করে দেবেন এবং সিটি করপোরেশনের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে মাঠ করে দেবেন। এসব প্রধানমন্ত্রীর খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।

‘বর্তমান তরুণ প্রজন্ম মাঠমুখী না হয়ে অন্যদিকে চলে যাচ্ছে’ মন্তব্য করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তরুণ প্রজন্মকে মাঠের দিকে ফিরিয়ে আনতে সরকার বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করছে। তার অংশ হিসেবে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের প্রসিদ্ধ যে ক্লাবগুলো আছে, সেগুলোতে ১০টি করে বল দেওয়া হয়েছে।”খেলাধুলাকে স্কুল সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে: মামুন মাহমুদ।

জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন, “শিক্ষার্থীদের মাধ্যে পাঠদানকে আনন্দায়ক করতে খেলাধুলাকে সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রাক্তন খেলোয়াড়দের মাসিক ভাতা প্রদান করা হবে।”

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে নগরীর ওসমানী পৌর স্টেডিয়ামে জেলা পরিষদ আয়োজিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “ফুটবল আমাদেরকে অনেক বেশি আশা সঞ্চার করে। কারণ এক সময় নারায়ণগঞ্জ থেকে অনেক বড়-বড় খেলোয়াড় তৈরি হতো। কিন্তু ইদানিং সেই জায়গায় কিছুটা ভাটা দেখতে পাচ্ছি। তার কারণ, গত ১৭ বছর কোনো খেলাকে প্রমোট করা হয়নি এবং মাঠেরও কোনো পরিচর্যা করা হয়নি।”

তিনি আরও বলেন, “স্কুল ও কলেজ থেকে যে বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা ছিল, সেগুলো বিগত সময়ে হয়নি। তার কারণে যে খেলোয়াড় তৈরির কারখানা, সেটি বন্ধ ছিল বলে আমি মনে করি। এবং সেজন্য এখন নারায়ণগঞ্জে কোনো খেলোয়াড় তৈরি হতে দেখছি না।”

‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশকে বিশ্বের মাঝে তুলে ধরা যায়’- উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ফুটবল বিশ্বকাপে অনেক ছোট ছোট দেশকে আমরা দেখছি, যাদের নাম আমরা জানতাম না। বিশ্বকাপে এসে তারা নিজেদের দেশকে উপস্থাপন করছে, সারা বিশ্বের কাছে তুলে ধরছে। আমরা কেন ১৮ কোটি মানুষ একটি ফুটবল টিম বিশ্বকাপে পাঠাতে পারছি না?”

“আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপের মঞ্চে দেশের টিমকে পাঠাতে আগ্রহ অনুভব করেন। এবং তিনি সরকার গঠনের এক মাসের মধ্যে ‘নতুন কুঁড়ি’র মাধ্যমে স্কুলে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া অঙ্গণে উৎসাহিত করে প্রায় এক লাখ তরুণকে ক্রীড়ামুখী করেছিলেন। এবং ফুটবলের মধ্যে আবার নতুন করে প্রাণ সঞ্চার করতে পেরেছেন। পাশাপাশি খেলাধুলাকে স্কুল সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করার কথাও জানিয়েছেন।”

সরকারের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “প্রত্যেক উপজেলায় তিনি মাঠ করে দেবেন এবং সিটি করপোরেশনের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে মাঠ করে দেবেন। এসব প্রধানমন্ত্রীর খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।”

‘বর্তমান তরুণ প্রজন্ম মাঠমুখী না হয়ে অন্যদিকে চলে যাচ্ছে’ মন্তব্য করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “তরুণ প্রজন্মকে মাঠের দিকে ফিরিয়ে আনতে সরকার বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করছে। তার অংশ হিসেবে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের প্রসিদ্ধ যে ক্লাবগুলো আছে, সেগুলোতে ১০টি করে বল দেওয়া হয়েছে।”

সর্বশেষ

জনপ্রিয়