১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

প্রেস নারায়ণগঞ্জ:

প্রকাশিত: ২১:২৬, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

টাকা বিলির অভিযোগ ও জরিমানা নিয়ে যা বললেন সিরাজুল মামুন

টাকা বিলির অভিযোগ ও জরিমানা নিয়ে যা বললেন সিরাজুল মামুন

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এবিএম সিরাজুল মামুনের প্রধান নির্বাচনী এজেন্টকে ‘বিলির জন্য টাকা বহনের’ অভিযোগে জরিমানা নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রার্থী নিজেই। তিনি এই ঘটনাটিকে ‘ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল’ বলে অভিযোগ করেন। এমনকি ‘জরিমানাকে’ অন্যায় বলেও মন্তব্য করেছেন।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তোলেন তিনি।

এ সময় তিনি আসনটিতে ভোট গণনা ও প্রকাশের প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে ফল পুনরায় গণনার দাবিও জানান।

ভোটের আগে রাতে ভোটারদের প্রভাবিত করতে টাকা বিলির উদ্দেশ্যে টাকা বহনের অভিযোগে এ প্রার্থীর প্রধান নির্বাহী এজেন্ট হাফেজ মো. কবির হোসেনকে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর ৪(১) ও ২৭ ধারায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এবং তাকে কেবল নিজের ভোট দেওয়া ছাড়া নির্বাচনী অন্য কোনো দায়িত্ব পালনেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় বলে জানান রিটার্নিং কর্মকর্তা রায়হান কবির।
কবির হোসেন খেলাফত মজলিসের নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার সভাপতিও।

তবে, এ জরিমানা ‘ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল’ বলে মন্তব্য করেছেন সিরাজুল মামুন। সংবাদ সম্মেলনে তাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “প্রধান এজেন্ট তো বিভিন্ন কেন্দ্রে যাবেন এবং পোলিং কাজে যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত তাদের কাজে সহযোগিতা করবেন এইটাই স্বাভাবিক ছিল। এজেন্টদের খরচ দেওয়া আর (ভোটারদের) টাকা দেওয়া না। সেখানে যে বিচারটা করা হয়েছে তা অন্যায় ছিল, ইনজাস্টিস ছিল।”

তিনি আরও বলেন, “প্রধান এজেন্ট তো বিভিন্ন কেন্দ্রে যাবেন এবং পোলিং কাজে যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত তাদের কাজে সহযোগিতা করবেন এইটাই স্বাভাবিক ছিল। ওইখানে যারা কর্মকর্তা ছিলেন, তাদের সঙ্গে থাকা দুই-একজন দ্বিমত করে বলেছিলেন, ‘আপনার রায়টা সঠিক হয় নাই’। সেখানে উচ্ছৃঙ্খল লোকেরা আমাদের গাড়িচালকের টাকাও ছিনতাই করেন। এক কর্মীকে হেনস্থাও করা হয়।”

“এজেন্টদের খরচ দেওয়া আর (ভোটারদের) টাকা দেওয়া না। দেওয়াল ঘড়ির কোনো কর্মীকে আমি এক টাকাও দেই নাই। প্রধান এজেন্ট রাতের বেলা ঘুরতে পারবেন না, এইরকম বিধিনিষেধ তো নাই। কিন্তু ঘটনাটিকে এমনভাবে সাজানো হলো। যদি কাউকে টাকা দিয়ে থাকে এইরকম কিছু ছবি দেখাক। একটা মানুষের পকেটে কিছু টাকা থাকতেই পারে। সেখানে যে বিচারটা করা হয়েছে তা অন্যায় ছিল, ইনজাস্টিস ছিল। সেখানে তারা যাকে হেনস্থা করেছিল তাদেরও বিচার করা হয় নাই।”

ঘটনার রাতেই এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললে ওই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ‘সদুত্তর’ পাননি বলেও জানান পরাজিত এ প্রার্থী।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়