চাঁদাবাজ-মাদককারবারিদের নাম প্রকাশের ঘোষণা ফেরদাউসের
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নারায়ণগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান বলেছেন, “আমি আজ ওপেনলি বলতে চাই—আপনারা পরিষ্কারভাবে জানান আমাদের সঙ্গে কারা চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। যদি ভয় পান, তাহলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আমরা নারায়ণগঞ্জবাসীর কাছে পরিষ্কার করে দেবো কারা চাঁদাবাজ ও মাদকের সঙ্গে জড়িত। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি—আপনারা তথ্য দিলে আজকের পর থেকে নারায়ণগঞ্জ থেকে চাঁদাবাজ ও মাদক দূর করার যুদ্ধ শুরু হবে।”
রোববার (১ মার্চ) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কার্যালয়ে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্র জমিয়তের আয়োজনে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “নারায়ণগঞ্জে যে যত বড় নেতাই হোক, সবাই সাবধান হয়ে যান। বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় আধিপত্যের লড়াই চলছে। বিশেষ করে ফতুল্লায় আধিপত্যের লড়াই আমরা স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি। রাস্তায় হাঁটলে মানুষ আমাদের প্রশ্ন করে—আমাদের পাশে নাকি চাঁদাবাজ থাকে, আমরা নাকি মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে চলাফেরা করি।”
মাওলানা ফেরদাউসুর রহমান আরও বলেন, “খেজুর গাছের পক্ষে নির্বাচনে কাজ না করার কারণে কিছু মানুষের বাড়িঘরে হামলা চালানো হচ্ছে। এরা কারা? জমিয়তের কোনো কর্মী তো হামলা চালানোর কথা না। সুতরাং যারা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য এসব করছে, তাদের চিহ্নিত করতে হবে। আমরা আগেই বলেছি—গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে দল ও বিরোধী দল থাকবে এবং সবাই স্বাধীনভাবে নির্বাচনে কাজ করবে। এতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু নির্বাচনের পর আধিপত্য বিস্তার করে কেউ যদি জমিয়ত ও খেজুর গাছকে কলঙ্কিত করতে চায়, আমরা বসে থাকবো না। চাঁদাবাজদের নাম ধরে ধরে পোস্টার লাগানো হবে, বয়কট করা হবে। প্রয়োজনে বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলনও করা হবে।”
মহানগর ছাত্র জমিয়তের সভাপতি মিরাজ বিন হারুনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুফতি হারুন রশিদ, মহানগরের সভাপতি মাওলানা কামাল উদ্দিন দায়েমী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুনাওয়ার হোসাইনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতারা।





































