জিয়াউর রহমান সর্বদলীয় প্রেসিডেন্ট ছিলেন: মাসুদুজ্জামান
নারায়ণগঞ্জে বিএনপি নেতা, ক্রীড়া সংগঠক ও বিসিবির পরিচালক মাসুদুজ্জামান মাসুদ বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। তিনি শুধু কোনো দলীয় প্রেসিডেন্ট ছিলেন না, সাধারণ মানুষের কাছে সর্বদলীয় প্রেসিডেন্ট হয়ে উঠেছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের হোসিয়ারি সমিতির কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ হোসিয়ারি অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।
মাসুদুজ্জামান মাসুদ বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে মাথা উঁচু করে বিশ্বের সঙ্গে কথা বলার শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি পররাষ্ট্রনীতিতে সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলার পথ দেখিয়েছিলেন। তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পায়।
তিনি বলেন, দেশের হোসিয়ারি ও গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশেও জিয়াউর রহমানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তার অর্থনৈতিক নীতির ধারাবাহিকতায় বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করছে।
রেমিট্যান্স খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করে গিয়েছিলেন। তিনি প্রায় ১৯ লাখ শ্রমিক বিদেশে পাঠানোর সুযোগ সৃষ্টি করেছিলেন। তবে ভবিষ্যতে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে রেমিট্যান্স আয় আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
স্মৃতিচারণ করে মাসুদ বলেন, জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর সারা দেশের মানুষ কেঁদেছিল। সেখানে কোনো দলীয় বিভাজন ছিল না; সব শ্রেণি-পেশার মানুষ তার মৃত্যুতে শোকাহত হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হোসিয়ারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বদিউজ্জামান বদু। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের পরিচালক ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খান সেন্টু।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, যুগ্ম আহ্বায়ক ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন, মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ, আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার, মহানগর ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহ, জেলা গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, সাবেক বন্দর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান মুকুল প্রমুখ।





































