ফতুল্লায় ভোররাতে দুই বাড়িতে ডাকাতি, স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আলাদা দুটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতরা পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর রাতে ফতুল্লার ভূইগড় পূর্বপাড়া এলাকায় আল আকসা মসজিদ রোডে ব্যবসায়ী আমজাদ মিয়া ও কুদ্দুস মিয়ার বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দুই বাড়ি থেকে মোট ৯ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা এবং দুটি দামি মোবাইল ফোন লুট করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আমজাদ মিয়া জানান, তিনি ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবসা করেন। ঈদের ছুটিতে শ্যালক হাফেজ সাইফুল্লাহকে বাসায় রেখে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোরে বাসায় ফিরে এসে দেখেন, শ্যালক সাইফুল্লাহর হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় ঘরের মেঝেতে পড়ে আছেন। পরে তার বাঁধন খুলে দিলে তিনি জানান, ভোর রাতে ২০ থেকে ২৫ বছর বয়সী ১৫ থেকে ১৮ জনের একটি ডাকাত দল রাম দা নিয়ে বাড়ির গেটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর তাকে জিম্মি করে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ঘরের আলমারি ভেঙে ৫ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। পরে তারা পাশের বাড়ি কুদ্দুস মিয়ার বাসায় হানা দেয়।
কুদ্দুস মিয়ার ছেলে জোবায়ের হোসেন জানান, দেশীয় অস্ত্র হাতে ডাকাতরা দেয়াল টপকে তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে। পরে গেটের তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে প্রথমে তার হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে। এরপর তার বাবা-মাকে জিম্মি করে হুমকি দেয়, কোনো ধরনের চিৎকার করলে তাকে হত্যা করা হবে।
তিনি আরও জানান, ডাকাতদের ভয়ে তার বাবা-মা চুপ থাকেন। পরে ডাকাতরা ঘরের আলমারি ভেঙে ৪ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ২০ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায়। ডাকাতরা চলে গেলে তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে উদ্ধার করেন।
ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন, ডাকাতির খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। ভুক্তভোগীরা লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা গ্রহণ করা হবে। ডাকাতদের শনাক্ত ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।





































