হকার ও অটো রিকশা বিষয়ে এমপি কালামের উদ্বেগ
শহরের সমস্যাগুলোর মধ্যে হকার ও অটো রিকশা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম।
তিনি বলেছেন, “আমরা হাকর বিষয়ে ঘুর-পাক খাচ্ছি। কারা বসতেছে, কারা বসাচ্ছে, কারা এটার নেপথে কারিগর, কাদের নেতৃত্বে চলছে, কারা এর মধ্যে লাভবান হচ্ছে এই বক্তব্য পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত। আমাদের আসলে উৎস বুঝতে হবে, লিডারটা কে, কোন গ্রুপ, কোন অংশে ,কার নেতৃত্বে এই বিষয়টা এটা স্থানটা হচ্ছে। নেপথ্যে কোন একটা শক্তি কার্যকর আছে। অবশ্যই দুইটা শ্রেণী- একটা ক্ষমতাশীল দল, আমাদের নাম ব্যবহার করে আমাদের দুর্নামের ভাগিদার করছে। তারা সুযোগ সন্ধানী। আমরা এটা করবো না কারণ জনগণের কাছে আমাদের জবাবদিহিতা আছে। প্রশাসন এবং আমাদের যৌথভাবে এটা দেখতে হবে।”
শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে নগরভবনের সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, “অটোরিকশার ফ্রেমটা মানববান্ধব কিনা তা দেখতে হবে। এগুলো প্রায় দুর্ঘটনা শিকার হচ্ছে। তার চেয়ে বড় কথা হল, এগুলা ব্যাটারি চালিত অর্থাৎ ইলেকট্রিসিটি কনজিম করে। যারা বেআইনীভাবে গাড়িগুলো চার্জ করছে তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে। তাহলে এমনি এমনি শহর থেকে অটো কমতে থাকবে।”
এর আগে এমপি আবুল কালাম বলেন, “উনি সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসক। উনার একটু সীমাবদ্ধতা আছে। উনার কর্মকাল অনুযায়ী নিজস্ব কোন এখতিয়ার নাই। এই অবস্থায় প্রশাসককে আমরা কত সহযোগিতা দিতে পারি। তার উপরে যতখানি ওজন আমরা দিতে চাই, সে সেই ভার বহনের সক্ষমতা আছে কিনা তা বিবেচনায় রাখা দরকার।”
নিজ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনাদের বক্তব্যগুলো যেন বিরোধী দলের বক্তব্যের পর্যায়ে চলে না যায়। কারণ বিরোধীপক্ষে শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নন। জনগণের প্রত্যাশার যে ঘাটতি আছে সেটা সন্তুষ্ট হয়ে যাবে বিরোধী দলের রাজনীতি আদর্শতার ক্ষেত্রে। অতএব আমাদের বক্তব্য রাখতে হবে স্বল্প। অল্প কথা বলব, শুনব বেশি আর কাজ করার চেষ্টা করব। আমাদের ধৈর্য ধারণ করতে হবে কারণ যে বক্তব্যগুলো আমরা রাখছি সেটা আমাদের জন্য আবার বুমেরাং হয়ে না যায়। এই সুযোগ আমরা কাউকে দিতে পারি না।”
তিনি আরও বলেন, “প্রশাসক মহোদয়কে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছে সরকার। সরকারের ভিশন আছে, ইতোমধ্যে সরকার ইমাম সাহেবদের জন্য একটি অংশ বাজারে নিয়ে আসছেন। খাল কাটা কর্মসূচি বাস্তবায়নের পর্যায়ে আছে। একই সাথে পানি, মৎস্য সম্পদ এবং কৃষি কার্য সব সংশ্লিষ্ট। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড আসছে। আমাদের রাজনৈতিক ভয়েস হিসেবে বললে হবে না, জনসাধারণ কাছে উপাত্ত হিসেবে তুলে ধরতে হবে। কারণ আগামীতে প্রত্যেকেই ফ্যামিলি কার্ড চাইবে। কিন্তু ফ্যামিলি কার্ডের নীতিমালা বাধা থাকবে।”
নাসিক প্রশাসককে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, “আমরা অনেকদিন যাবত চাচ্ছিলাম এমপি এবং সিটি কর্পোরেশনের পারস্পরিক সম্পর্কের স্তর দৃঢ় হোক। আজকে আমার উপস্থিতির কারণ প্রশাসক মহোদয়কে সহযোগিতা করার জন্য আশ্বস্ত করা। আমি আপনার পাশে আছি। আমি এমন পরিবেশে প্রথমবার আসলাম। কারণ এই ধরনের পরিবেশ আমি কখনো প্রত্যাশা করি নাই। বর্তমান সরকারের অধীনে ইনশাল্লাহ আমরা শৃঙ্খল এবং নিয়ন্ত্রণে থাকবে।”





































