রমজানে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে মাসুদুজ্জামান : শকু
শওকত হাসেম শকু বলেছেন, কেউ যেটা পারেন সেটা আল্লাহ পারেন। কেউ যেটা বুঝে না-কে বুঝে আল্লাহ। আপনারা সকলে মাসুদুজ্জামান মাসুদ ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন। আজকের গরু মাংস বিতরণ করেছেন তিনি হলেন মাসুদ ভাই। উনার ধারাবাহিকতা অবদান ১২নং ওয়ার্ডে সর্বাধিক অনুদান দেন। এই ওয়ার্ডের জনগণকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন। এই যে রমজান শুরুতে রোজা সামগ্রী পেয়েছিলেন, সেখানেও মাসুদ ভাইয়ের অংশগ্রহণ ছিলো। এই ওয়ার্ডের ৪০০ পরিবারের মাঝে প্রায় ১০মণ গরু মাংস বিতরণ করলেন। ঈদ সামগ্রী আজকাল ৪ হাজার পরিবারের মাঝে বিতরণ করবেন মাসুদ ভাই। তার জন্য প্রাণভরে দোয়া করবেন। যারা আল্লাহ রাস্তা যারা অনুদান করেন তাদের রিজিক কমে না বাড়ে। আজকের মাংস বিতরণ পুরো ক্রেডিট মাসুদ ভাইয়ের।
তিনি আরও বলেন, মাসুদ ভাই এখানে পাঠিয়েছেন তার ছোট ভাই শামীম, মহানগর বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, সদস্য অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম শিপলু, মাসুদ ভাইয়ের প্রিয় মানুষ মনির হোসেন সরদার। আগামী ১৭ তারিখে ১২০০ লোকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করবো আরও ১৮ ও ১৯ তারিখেও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হবে।
শনিবার (১৪ মার্চ ) দুপুরে ১২নং ওয়ার্ডে রমজানের তাৎপর্যকে ধারণ করে মাসুদুজ্জামান পর্যায়ক্রমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে মাংস বিতরণ কর্মসূচি পালনকালে সাবেক কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপি সদস্য শওকত হাসেম শকু একথা বলেন। এর আগে বিকালে ১৩ নম্বর ওয়ার্ড আড়াইশত দরিদ্র পরিবারেরহাতে ১ কেজি পরিমাণ মাংস তুলে দেওয়া হয়, যাতে রোজার এই সময়ে তাদের খাদ্যতালিকায় কিছুটা হলেওপুষ্টির ঘাটতি পূরণ হয়।
সমাজসেবক মাসুদুজ্জামান বলেন, রমজান আমাদের সংযম, সহানুভূতি ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এই পবিত্র মাসে মানুষের কষ্টকে উপলব্ধি করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। তিনি মনে করেন, সমাজের সচ্ছল ও সামর্থ্যবান মানুষযদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসেন, তাহলে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আরও সহজ হয়ে উঠবে। তার লক্ষ্য হচ্ছে—রমজান মাসে অন্তত কোনো পরিবার যেন ইফতার বা সেহরির সময় খাদ্য ও পুষ্টির অভাবে কষ্ট না পায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এমন ছোট ছোট মানবিক উদ্যোগ সমাজে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভালোবাসার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে। এ সময় মাংস বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া উপকারভোগীরা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে অনেক পরিবারের পক্ষেই মাংস কেনা সম্ভব হয় না। এই সময় এমন সহায়তা তাদের জন্য বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে এবং রমজানের আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
আয়োজকরা জানান, রমজান মাস মানুষের মধ্যে সহমর্মিতা, মানবিকতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করার এক বিশেষ সময়। সেই শিক্ষা থেকেই সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে সমাজসেবক মাসুদুজ্জামান প্রতি বছরই রমজান মাসে এমন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। আগের বছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারও পুরো রমজান মাসজুড়ে এই কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
আয়োজক সূত্রে আরও জানা যায়, সহায়তা যেন প্রকৃত দরিদ্র মানুষের কাছেই পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বয়ে একটি তদারকি দল গঠন করা হয়েছে। তাদের প্রস্তুত করা তালিকা অনুযায়ী নির্ধারিত পরিবারের হাতে সুশৃঙ্খল পরিবেশে মাংস বিতরণ করা হয়।





































